Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সময় চেয়েছে চার মোবাইল কোম্পানি

 গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সিটিসেল তহবিল সঙ্কটের কারণে টুজি (দ্বিতীয় প্রজন্ম) লাইসেন্স নবায়নে বেঁধে দেয়া সময়ে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পরিশোধ করতে পারেনি। মঙ্গলবার ছিল টাকা জমা দেয়ার শেষ দিন। তাদের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। তবে এতে রাজি নয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পরিশোধে আরও এক মাস সময় বাড়ানোর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করা হয়েছে। তবে এখনও এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা আসেনি। ২৪শে জুলাই টুজি লাইসেন্স নবায়ন ও তরঙ্গ বরাদ্দ ফির দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ চেয়ে চার অপারেটরকে চিঠি দেয় বিটিআরসি। দ্বিতীয় কিস্তিতে গ্রামীণফোনকে ১০৫০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা জমা দিতে বলেছে বিটিআরসি। এর সঙ্গে আগের পাওনা ও বিলম্ব ফি মিলিয়ে আরও ৪৭১ কোটি ৫৮ লাখসহ মোট ১৫২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ, বকেয়া পাওনা ও বিলম্ব ফিসহ বাংলালিংককে ৭৭২ কোটি ৫১ লাখ, রবিকে ৭২৭ কোটি ৮৯ লাখ ও সিটিসেলকে ১৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। ৩১শে জুলাই পর্যন্ত এই অর্থ পরিশোধে করতে পারেননি তারা। বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ সাংবাদিকদের  জানান, আমাদের সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। নির্ধারিত তারিখে অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে নিয়ম অনুযায়ী মূল টাকার সঙ্গে সুদসহ জমা দিতে হবে। টুজি লাইসেন্স নবায়নের অর্থ পরিশোধ না করার কারণ জানতে চাইলে মোবাইল কোম্পানির প্রতিনিধিরা বলছেন, গ্রামীণফোন একা নয়- বর্তমানে চারটি মোবাইল অপারেটরই তহবিল সঙ্কটে রয়েছে। তাই চারটি প্রতিষ্ঠানই যৌথভাবে বিটিআরসি’র কাছে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে। এদিকে আরও জানানো হয়, লাইসেন্স না থাকায় দেশী-বিদেশী কোন উৎস থেকেই তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট