Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ফখরুলসহ ৪৬ বিরোধী নেতার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৮ দলীয় জোটের ৪৬ নেতার বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন দ্রুত বিচার আদালত-৫ এর বিচারক হারুন-অর-রশিদ। দুপুর দেড়টায় শুনানি শেষে ওই মামলায় তাদেরকে অভিযুক্ত করেন আদালত। আগামী ৭ই আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এছাড়া অভিযোগ গঠনকালে মামলার আসামি সাদেক হোসেন খোকা, আমানউল্লাহ আমান ও নাজিম উদ্দিন আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, সাদেক হোসেন খোকা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে চিকিৎসার জন্যে বিদেশে গেছেন। বাকি ২ জন গেছেন ওমরাহ হজ পালন করতে। এর আগে গাড়ি পোড়ানোর মামলাটি দ্রুত বিচার আদালত-৫ এর বিচারক হারুন-অর-রশিদের আদালতে স্থানান্তর করেন সিএমএম আদালত। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ শুনানি শুরু করেন ওই আদালত। এর আগে বিচারক মোহাম্মদ এরফান উল্লাহর আদালতে এ মামলাটির শুনানী নিয়ে আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক চলে সকালে। সেখানে তিন আসামীর অনুপস্থিতির কথা বলে সময় চান আসামীপক্ষ। আসামিপক্ষের আইনজীবী সুপ্রীম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আদালতের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা করা হয়েছে মর্মে আদালতকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, যেহেতু আদালতের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, তাই বিষয়টি হাইকোর্টে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চার্জ শুনানি মুলতবি রাখা হোক। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু চার্জ শুনানি স্থগিত রাখার বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, হাইকোর্টে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানি হয়নি এবং চার্জ শুনানি বিষয়টি হাইকোর্টে কোন স্থগিত আদেশ নেই, সুতরাং চার্জ শুনানি করতে কোন বাধা নেই। বিচারক আসামী পক্ষের আবেদন নামঞ্জুর করলে বিচারকের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে আসামীপক্ষ। পরে বিচারক এরফান উল্লাহ মামলার নথিপত্র সিএমএম আদালতে পাঠিয়ে দেন। সিএমএম আদালত পরে দ্রুত বিচার আদালত-৫ এর বিচারক হারুন-অর-রশিদের আদালতে মামলা স্থানান্তর করে দেয়। এর আগে মামলার ৪৬ আসামির মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জামিনে থাকা ৩৬ জন সকালেই আদালতে হাজির হন। আসামিদের মধ্যে ১ জন পলাতক ও ৪ জন কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া তিনজন সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।
এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রম, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এমকে আনোয়ার, বিগ্রেডিয়ার (অব.) হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, রিজভী আহমেদ, বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, স্বনির্ভর সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এমপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিবুন-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমীরুল ইসলাম খান আলীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব,  ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মজনু, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক ইয়াসিন আলী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা ওবায়দুল হক নাসির, মতিন, হাবিবুর রশীদ হাবিব, কামাল আনোয়ার আহমেদ প্রমুখ। জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল হোসেন, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল, ছাত্রশিবিরের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ও সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার ওরফে জসিম মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট