Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

২১ বছর পর ফেসবুকের মাধ্যমে পরিবার খুঁজে পাওয়া

হারিয়ে যাওয়া সন্তান ও পরিবারকে খুঁজে পাওয়ার জন্য পুরো ২১ বছর লেগেছে ডন গিবসনের। তার সাবেক স্ত্রী ও পুত্রকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে শেষে ফেসবুকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। এরপর খুঁজে পান তাদের। খবর ম্যাশেবলের।

 

প্রিয় মুখগুলো খুঁজে পাওয়ার জন্য বিভিন্ন পিপল ফাইন্ডার সাইট, প্রাইভেট ডিটেকটিভের শরণাপন্ন হওয়াত কি করেননি ডন গিবসন! পেশায় তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সদস্য। যুক্তরাজ্যে এক মিশনে থাকার সময় আজ থেকে দুই দশকের বেশি সময় আগে ক্রিসির সঙ্গে তার দেখা। সেখান থেকে প্রেম এবং ১৯৮৯ সালে পরিণয়। এরপর জন্ম নেয় তাদের সন্তান ক্রেগ।

 

ক্রিসি ও ডনের মধ্যে কেন এত দিনের বিচ্ছেদ এ সম্পর্কে ম্যাশেবল জানতে চাইলে ক্রিসি বলেন,  ডনের সঙ্গে প্রণয়ের আগে ক্রিসের আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। ওই পক্ষে তার আরও দুটি ছেলে সন্তান ছিল। তাদের মায়ায় তিনি ডনের সঙ্গে আর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেননি।

 

এদিকে মিশন শেষ হয়ে যাওয়ায় নিজের দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া ডনের আর কোনো উপায় ছিল না। তাই দুজনকে আলাদা পথ দেখতে হয়েছিল। প্রথমে যোগাযোগ থাকলেও পরে আস্তে আস্তে দুজন একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কিন্তু ক্রেগকে ঠিকই বলা হয়েছিল, তার বাবা যুক্তরাষ্ট্রে থাকে। নিজের বাবাকে খোঁজার মতো বড় হওয়ার পর ক্রেগ অনেকবার তার বাবাকে খুঁজে ফিরেছে। মায়ের কাছ থেকে সে জেনেছিল তার বাবা থাকে টেক্সাসে। কিন্তু ডন তত দিনে টেক্সাস ছেড়ে ওরেগনে খুঁটি গেড়েছিলেন।

 

চোখের আড়াল মানে মনের আড়ালত এ কথা প্রিয় মুখগুলোর ক্ষেত্রে কখনই খাটে না। প্রিয় মুখগুলোকে ছেড়ে অনেক দূরে থাকা ডন তাই তাদের কাউকে ভুলতে পারেননি। এদিকে ১২ বছর বয়স থেকেই ক্রেগ তার বাবাকে খুঁজে ফিরছিল। বিধাতাও মনে মনে হয়তো চাইছিলেন বাবা-ছেলের মিলন হোক। একটা কথা তো আছেইত যা হয় সব বিধাতার ইচ্ছায় হয়। আর ডিজিটাল যুগে তো ফেসবুক, টুইটারের জয়জয়কার। বাবা আর ছেলেকে কাছে আনতে তাই তাদের মধ্যে এসে পড়ল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক।

 

এক মাস আগে ডন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ ইন করেন। ক্রেগের সত্ ভাইয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ব্যস, আর এভাবেই ক্রেগ ও ক্রিসি ফিরে এল ডনের জীবনে। ক্রেগকে পাঠানো বার্তায় ডন বলেন, ‘আমায় চেন? আমার ব্যাপারে জানতে চাও? যা মন চায় জিজ্ঞেস করতে পারো। তোমার মাকে বলো আমি তাকে হাই বলেছি। তোমার কথা প্রায়ই মনে পড়ে। আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছ। তোমার কাছ থেকে দ্রুত বার্তা পাওয়ার আশায় আছি।’

 

বাবা দিবসের আগের দিন ১৬ জুন বাবা আর ছেলে স্কাইপে চ্যাটিং করেছেন। এ বছরের অক্টোবরেই প্রিয় মানুষগুলোর কাছে যাচ্ছেন ডন। ডন ও ক্রিসি আবারও বিয়ে করতে পারেন বলে জানা গেছে। প্রিয় মুখগুলো ফিরে পাওয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তিকে ধন্যবাদ দেয়ার সুযোগও হাতছাড়া করেননি ডন।

 

মার্ক জাকারবার্গ এখন জনহিতৈষী ব্যক্তি হিসেবে অহঙ্কার করতেই পারেন। জয়তু ফেসবুক।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


2 Responses to ২১ বছর পর ফেসবুকের মাধ্যমে পরিবার খুঁজে পাওয়া

  1. K.h. Luis

    July 31, 2012 at 3:55 pm

    gooood…………..

  2. abdulghani sarker

    July 31, 2012 at 10:26 pm

    Excellent news!!!!!!!!!!!!!!