Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘আমি নই, সব সিদ্ধান্ত পরিবারের’

ভাইরাস নয় ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে মৃত্যু হয়েছে নন্দিত কথাকার হুমায়ূন আহমেদের। নিউ ইয়র্কসহ বাংলাদেশের একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় অন্য প্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম এ কথা জানিয়েছেন। নিউ ইয়র্কে লেখকের চিকিৎসা চলাকালে দশ মাসের মধ্যে প্রায় ছয় মাসই ছায়ার মতো তার সঙ্গে ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসা চলাকালে অবহেলা হয়েছে এমন সংবাদ গত দু’দিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত হয়। প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন, অবান্তর ও দুঃখজনক উল্লেখ করে মাজহারুল ইসলাম বলেন, স্লোয়ান ক্যাটারিং সেন্টার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ছিল পারিবারিক। এটা একান্তই স্যার ও শাওনের। স্লোয়ান ক্যাটারিং সেন্টারের চিকিৎসক ডা. স্টিফেন আর ভিচ ব্যয় কমাতে অন্য যে কোন স্থান থেকেই এই কেমো নেয়া যেতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার বক্তব্যের ভিত্তিতেই পারিবারিকভাবে হাসপাতাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। ভিচ ব্যয় কমাতে আমেরিকার বাইরে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভারত বা সম্ভব হলে বাংলাদেশেও কেমো নেয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছিলেন। আর স্যারের চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্যার নিজেই নিতেন। অন্য কোথাও চিকিৎসা নিলে স্যার ভাল হবেন জানলে সেই সিদ্ধান্তই তিনি নিতেন। চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে যে কথা এসেছে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আর্থিক সমস্যা ছিলই। তবে স্যার এ বিষয়ে কারও সাহায্য বা অনুদান নিতে চাননি। চিকিৎসার জন্য ব্যয় সঙ্কুলানের প্রয়োজনে সম্পদ বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত স্যার নিয়েই রেখেছিলেন। চিকিৎসা চলাকালে উপস্থিত না থাকাকে অবান্তর উল্লেখ করে তিনি বলেন, অস্ত্রোপচার চলাকালে আমার বা শাওনের বাইরে চলে যাওয়ার যে কথা উঠেছে তা মিথ্যা। আমরা এক সেকেন্ডের জন্যও অপারেশন থিয়েটার ত্যাগ করিনি।  লেখকের বন্ধু ফানসু মণ্ডলসহ যারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাদের জিজ্ঞেস করলেই এ বিষয়ে প্রকৃত সত্য কি তা জানা যাবে। বাসায় চেয়ার থেকে পড়ে গিয়ে ইনজুর হয়েছেন, যা থেকে ইনফেকশন হয়েছে এ সংবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানান, চেয়ার থেকে পড়ে যাননি। তবে প্লাস্টিকের একটি চেয়ার ছিল স্যার যেখানে বসতেন। সে চেয়ারটি দেবে গিয়েছিল। আর আমেরিকায় নিয়মানুযায়ী যে কোন ধরনের সমস্যায় প্রথমেই নিকটস্থ সিটি হাসপাতালে নিতে হয়। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হয়। কাজেই সময়ক্ষেপণের যে কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়। এটা তো কারও ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল নয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপরই নির্ভরশীল। পত্র-পত্রিকায় ভাইরাস সংক্রমণের কথা এসেছে যা ঠিক নয়। এটা ছিল ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন। এই ব্যাকটেরিয়াকে বলা হয় মার্সেরা। এই ব্যাকটেরিয়া প্রথমে লাং ও পরে রক্তে সংক্রমিত হয়। মার্সেরা ব্যাকটেরিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে হয়তো স্যারের মৃত্যু হতো না। মৃত্যুর আগের দিনও স্যারের সংজ্ঞা ছিল। লাইফ সাপোর্টের কথা আসছে বিভিন্ন মিডিয়ায়। তবে মুখ ও নাকে নল থাকায় তিনি কথা বলতে পারতেন না। বিজনেস ক্লাস টিকিট নিয়ে যে ধরনের কথা এসেছে তা ঠিক নয় উল্লেখ করে মাজহার বলেন, আমেরিকায় মৃতদেহের দায়িত্ব থাকে ফিউনারেল হোম কর্তৃপক্ষের। সেখানে বাইরের কারও কিছু করার থাকে না। দ্রুত স্যারের লাশ নিয়ে আসার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে বাংলাদেশ মিশনসহ অনেকেই চেষ্টা করেছে। কিন্তু টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল না। ইকোনমি টিকিটেই আমরা ফিরবো- এমন সিদ্ধান্ত ছিল। একসঙ্গে এতগুলো টিকিট যোগাড় করা যায়নি। পরে শাওন ও তার মা তহুরা আলী বিজনেস ক্লাসে আর আমি, শাওনের বোন সেজুঁতি ইকোনমি ক্লাসে আসি। আর ড. জাফর ইকবাল বাংলাদেশ থেকেই এমিরেটস-এর টিকিট চূড়ান্ত করেছিলেন। আমরা এমিরেটসের টিকিট পেলে হয়তো একসঙ্গেই দেশে ফেরা হতো।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


2 Responses to ‘আমি নই, সব সিদ্ধান্ত পরিবারের’

  1. abdulghani sarker

    July 26, 2012 at 10:59 pm

    Amar money hoy srodh-dheyo Humaun Ahmed sirer mirtu niay ba takey koborastho kora niay ar kono shomalochana na houai valo.

  2. goni sarker

    July 26, 2012 at 11:21 pm

    Amar money hoy Srodh-dheyo Humaun Ahmed sirer kono bepar niey ar kono prokar shomalochona na hoai valo.