Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

চ্যাম্পিয়নরা এভাবেই কামব্যাক করে :মুশফিক

আয়ারল্যান্ড সফর নিয়ে আশার চেয়ে শঙ্কার পরিমাণটাই বাংলাদেশের কাছে বেশি ছিল। তাদের বিপক্ষে সিরিজ জেতা বাংলাদেশের জন্য স্বাভাবিক ঘটনা। তবে হারলে চারদিকে গেল গেল রব উঠে যেত। বাংলাদেশের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলত নিন্দুকেরা। তবে আইরিশদের হোয়াইটওয়াশ করে সে স্বাভাবিক আনন্দকে একটু হলেও উচ্চ মার্গে নিয়ে গেল মুশফিক বাহিনী। প্রথম দুটি জয় সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এলেও তৃতীয় ম্যাচটি একা জিতিয়েছেন মাশরাফি। অথচ প্রথম দুই ম্যাচে বোলিংয়ে কিছু করতে না পারায় তৃতীয় ম্যাচে তার মাঠে নামা নিয়ে শঙ্কা ছিল। তবে মাঠে নেমে আইরিশরা যখন বড় স্কোরের পথে তখন বল হাতে নিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে গুঁড়িয়ে দিলেন তাদের। এরপর চরম বিপদে ১৩ বলে ৩০ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস। এমন একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে উল্লাসটা একটু বেশি হওয়ার কথা। স্টরমন্ট সিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব মাঠে তৃতীয় ম্যাচ শেষে তাকে নিয়ে অধিনায়ক মুশফিকের মুখ থেকে ঝরেছে অকুণ্ঠ প্রশংসা। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো…

হ মাশরাফিকে পরে বোলিংয়ে আনার কারণ?
মুশফিক : যেহেতু পাওয়ার প্লেতে ওরা সবসময় একটু বেশি মারে এবং ওই সময়টায় তাার একটু সমস্যা হচ্ছিল, তাই। টি২০ আমাদের খুব বেশি একটা খেলা হয় না। আর তিনিও অনেকদিন বাইরে ছিলেন। আমাদের মনে হয়েছিল, একটা সার্কেলে তাকে আনা গেলে এবং তার আগে অন্য বোলারদের রোটেট করালে ভালো একটা ফল আসতে পারে। অন্তত তিনি তাতে একটু স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। এ ব্যাকআপ আমরা তাকে দিয়েছি। সেটার পরিণামে তিনি কী দিয়েছেন, সেটা তো দেখেছেনই। চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়রা এভাবেই কামব্যাক করে।
হ মাশরাফির ব্যাটিং কি সারপ্রাইজিং ছিল?
মুশফিক : না, তা নয়। তিনি উইকেটে থাকার সময় আমার এ বিশ্বাস ছিল যে, যেহেতু আজ ৪ উইকেট পেয়েছেন, হয়তো আজকের দিনটা তারই হবে। তিনি আমাকে সাহসও দিয়েছেন। ‘মুশ, আমি আছি। তুই যদি শেষ পর্যন্ত থাকিস, তাহলে ম্যাচটা আমরা বের করে নেব।’ সারপ্রাইজ নয়, এ রকম ব্যাটিং তিনি আগেও করেছেন। সবচেয়ে ভালো কথা, তিনি কামব্যাক করেছেন এবং সেটা যখন দলের দরকার ছিল।
হ কখনও কি মনে হয়েছিল বাংলাদেশ হেরে যেতে পারে?
মুশফিক : না, মনে হয়নি। জেতাটা সহজ হবে না, এটা মনে হয়েছিল। জিয়া ভাই, নাসির ও রিয়াদ ভাই দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ার পর ৫ ওভারে ৫০-র মতো লাগত। সেখান থেকে ম্যাচ জেতার জন্য অল ক্রেডিট গোজ টু মাশরাফি ভাই।
হ র‌্যাংকিংয়ের বিষয়টা কি আপনাদের মাথায় ছিল বা এটা কোনো উৎসাহ হিসেবে কাজ করেছে কি-না?
মুশফিক : হ্যাঁ, ট্যুরের আগেই এটা নিয়ে কথা হতো। এটা জানতাম না যে, ছয় বা চার নম্বরে যাব। তবে এটা মাথায় ছিল যে, পাঁচটা ম্যাচ জিততে পারলে খুব ভালো একটা অবস্থানে থাকব।
হ ভারত টি২০-র সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তাদের আগে থাকা কি বাড়তি প্রেরণা?
মুশফিক :আসলে র‌্যাংকিং সিস্টেম নিয়ে আমাদেরও ভালো ধারণা নেই। কীভাবে কী হয়! আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ক্রিকেট খেলছি। জিম্বাবুয়ের শেষ দুটো ম্যাচের পর এখানে আরও তিন ম্যাচ। টানা পাঁচ ম্যাচ আমরা ভালো খেলেছি। আশা করছি, নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দুটোও খুব ভালো যাবে।
হ আয়ারল্যান্ডের কোচ বলছিলেন, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের খুব বেশি পার্থক্য নেই?
মুশফিক : জেতাটাই আসল এবং আমরাই জিতেছি। স্ট্রং টিম হিসেবেই জিতেছি।
হ সেরা বাংলাদেশ দল প্রসঙ্গে?
মুশফিক : যুক্তিগুলো হানড্রেড পারসেন্ট জোরালো হয়েছে। সাকিব আর সুহাস আসার ফলে দু’দিক থেকেই দলের শক্তি বেড়েছে। তিনজন বাঁহাতি স্পিনার আছে আমাদের। অন্যান্য দলে দেখা যায়, এ রকম একজন স্পিনার থাকে। কিন্তু আমাদের তিনজন বিশ্বমানের স্পিনার আছে। সে সঙ্গে রিয়াদ ভাই আছেন। পেস বোলিংয়ের কথাও বলতে হয়। সুতরাং আমার কাছে অনেক অপশন আছে। এর ফলে আমি পাওয়ার প্লে, মিডল ওভার ও শেষের ওভারগুলোয় ছয় বোলারকে বল করাতে পারি। এটা একজন অধিনায়কের জন্য দারুণ হেল্পফুল। আর যেহেতু মাশরাফি ভাই আট নম্বরে ব্যাট করেন, দেখলেন তো কেমন ব্যাটিং করেন। এ রকম একজন ব্যাটসম্যান যখন আট নম্বরে থাকেন টি২০-তে, তার মানে আপনার দলের ব্যাটিং গভীরতা অনেক। অনেক সময় ফিনিশিং ভালো হতো না। এখন সাত নম্বরে জিয়া ভাইকে পেয়েছি। এ জন্যই বলছি, এ দলটা অনেক ভারসাম্যপূর্ণ ও পারফরমিং।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট