Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থায় একটি দৃষ্টান্ত: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ২২ জুলাই: ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থায় গ্রামীণ ব্যাংক একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (এমআরএ) আয়োজিত ‘আমানতকারী নিরাপত্তা তহবিল’ গঠন বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী একথা জানান।

তিনি বলেন, ‘‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) কর্তৃক লাইসেন্স প্রাপ্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬০০। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ভাবে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।’’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা করতে এখন পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাই উন্নত বলে মনে হয়। আমরা গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাটা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও অবলম্বন করার নির্দেশ দিচ্ছি।’’

মুহিত বলেন, ‘‘দেশে প্রায় দুই থেকে তিন কোটি ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতা রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই এসব প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয় করছে। গ্রাহকদের আমানতের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন-২০০৬ এর ১৯ ধারা অনুযায়ি আমানতকারী নিরাপত্তা তহবিল গঠন করা হচ্ছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘এই তহবিলে প্রধান লক্ষ্য হবে ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো কারণে ঝুঁকিতে পড়লে তার গ্রাহকদের আমানত নিরাপত্তা যাতে নিশ্চিত করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে এই তহবিলে পরিমাণ হবে ৩০ কোটি টাকা। গ্রাহক প্রতি প্রায় তিন হাজার ৫০০ টাকা জামানত নিশ্চিত করা হবে। এতে করে গ্রাহক নিশ্চিন্তে সঞ্চয় করতে পারবে।’’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডিশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ বলেন, ‘‘তহবিলটির নাম নিয়ে আরো চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠি শুধু সঞ্চয় করে না তারা মূলত ঋণগ্রহণ করে।’’

তিনি বলেন, ‘‘এই তহবিলটি গঠন করার আগে এর বিধিবিধান সর্তকতার সঙ্গে প্রণয়ন করতে হবে যাতে করে এই তহবিলের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকে।’’

অনুষ্ঠানে এমআরএ’র চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ব্যাংক আমানত তহবিলের আদলে আমানতকারী নিরাপত্তা তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এই তহবিলের পরিমাণ ৩০ কোটি টাকা ধরা হলেও তা পরবর্তী সময়ে বাড়বে। একই সঙ্গে গ্রাহক প্রতি সাড়ে তিন হাজার টাকার পরিমাণও বাড়তে পারে। এজন্য তহবিলটির বিধিবিধান প্রণয়নের সময় পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে বিবেচনা করা হবে।’’

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এমআরএ’র এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাজহারুল হক।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট