Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

খালেদা জিয়া কি ভারত যাচ্ছেন?

ঢাকা, ১৯ জুলাই: বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া ভারত যেতে পারেন বলে দলের মধ্যে কানাঘুষা চলছে। সূত্র দাবি করছে, দলের একটি গ্রুপ তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

সূত্র জানাচ্ছে, এই লক্ষ্যে সম্প্রতি দলের গুলশান কার্যালয়ের দু’জন কর্মকর্তা সফর করেছেন। এরা দু’জনই ওই অফিসের প্রভাবশালী নেতা বলে দাবি করছে সূত্র। তাদের এই সফর গোপন রাখা হয়। তবে তাদের অনুপস্থিতির কথা অনেকেই জানেন। এই অনুপস্থিতির সময় তারা কোথায় ছিলেন তা প্রকাশ না করার বিষয়টি নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়। এরপরই তাদের ভারত সফরের বিষয়টি জানা যায়।

সূত্র আরো জানাচ্ছে, এই দু’জন তরুণ নেতা প্রায় সব সময়ই খালেদা জিয়ার বিদেশ সফরসঙ্গী হন। এদের একজন খুলনা অঞ্চলের নেতা। যিনি প্রায়ই গুলশান অফিসে ‘দাপট’ দেখান বলে খুলনা বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে থাকেন। আরেকজন যিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে তেমন একটা পাত্তা দেয়ার প্রয়োজনবোধ করেন না। যিনি প্রায়ই বলে থাকেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তিনিই বানিয়েছেন।

সূত্র দাবি করছে, ভারত সফর নিয়ে খালেদা জিয়া দোটানার মধ্যে রয়েছে। খালেদা জিয়ার সফর নিয়ে ভারত কেন আগ্রহী তা তার কাছে স্পষ্ট নয়। নয়া দিল্লি কি বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক করতে চাইছে? এর পক্ষে যারা, তারা সম্প্রতি প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গ টেনে আনছেন। প্রণব মুখার্জি বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করে ওই সময় বলেছিলেন, কোনো দলের সঙ্গে নয়, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই। তিনি দিল্লি ফিরে গিয়ে খালেদা জিয়ার জন্য উপহারও পাঠিয়েছিলেন।

বিএনপির আরেকটি পক্ষ বলছে, দিল্লিকে বিশ্বাস করা যায় না। তাদের দাবি, এমন হতে পারে যে, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে খালেদা জিয়াকে দিল্লি প্রভাবিত করতে পারে। এর মূল লক্ষ্য, শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনা।

দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন ওঠেছে, খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক কাছাকাছি থাকা খুলনার ওই তরুণ নেতার বিষয়ে। সূত্র বলছে, ওই নেতা আসলে কোনদিকে থাকেন, এই প্রশ্ন দলের পরীক্ষিত নেতাদের মধ্যে প্রায়ই আলোচনা হয়।

এর কারণ হিসেবে সূত্র জানাচ্ছে, ওই নেতার উত্থান মূলত সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকারের সময়। মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর থেকে অনেকেই জানেন, তিনি একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার আত্নীয়। যখন কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড ছিল না, রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল, ওই সময় এই নেতাকে বিএনপিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

জানা যায়, ওই সময় সারাদেশ থেকে ছয়শ’ ব্যক্তির তালিকা করা হয়। এর মধ্যে আস্থাভাজন তিনশ’ জনকে শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন দলের ব্যানারে সংসদ নির্বাচন করানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। বিএনপির বর্তমান এই তরুণ নেতা ওই তিনশ’ জনের নবাগত গ্রুপের একজন। ওই সময় কারাগারে খালেদা জিয়া। কিন্তু এই নেতাকে খুলনার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সক্রিয় দেখা যায়। যেসব অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে থাকতে হতো বিশেষ অতিথি হিসেবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট