Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘হেলিকপ্টার থেকে গুলি নয় লিফলেট ফেলা হয়েছিল’

বিডিআর হত্যা মামলার সাক্ষ্য ও জেরায় সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল শাহ মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান দাবি করেছেন, ঘটনার দিন পিলখানার অভ্যন্তরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তিনটি হেলিকপ্টার উড্ডয়ন করা হয়েছিল। প্রথম দু’টি কপ্টার রেডিও বার্তার মাধ্যমে পিলখানার অভ্যন্তরের পরিস্থিতি ‘টাইম টু টাইম’ অবহিত করেছে। তৃতীয় কপ্টার থেকে আর্ম ফোর্সেস বিভাগ থেকে সরবরাহ করা আত্মসমর্পণ সংক্রান্ত লিফলেট ফেলেছে। এ তিনটি কপ্টারের কোনটিতেই কোন ধরনের অস্ত্র বহন করা হয়নি। ফলে আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণের প্রশ্ন ওঠে না। গতকাল বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী মহানগর দায়রা জজ আদালতে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে দেয়া এক সাক্ষ্যে এ তথ্য জানান তিনি। ভারপ্রাপ্ত মহানগর দায়রা জজ এম আকতারুজ্জামানের আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে বিমানবাহিনী প্রধান বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা সম্পর্কে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেনারেল (অব.) তারেক আহমদ সিদ্দিকী আমাকে ফোন করেন। তিনি জানান, বিডিআরে কিছু সমস্যা হয়েছে। হেলিকপ্টার রেডি আছে কিনা। আমি তাকে জানাই, কপ্টার রেডি আছে। তিনি আমাকে তাড়াতাড়ি কপ্টার উড্ডয়ন করে পিলখানার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উইং কমান্ডার ফকরুদ্দিন ও উইং কমান্ডার নবী দু’টি কপ্টার নিয়ে উড্ডয়ন করেন। তারা যথাক্রমে বেলা ১২টা ৩৫ ও ১টা ৩০ মিনিটে অবতরণ করা পর্যন্ত পিলখানার পরিস্থিতি আমাকে অবহিত করেন। তারা তাদের পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে আমাকে পিলখানার অভ্যন্তরে গাছের ফাঁকে ফাঁকে কিছু সংখ্যক বিডিআর সদস্য দেখা যাওয়ার কথা জানান। এ সমস্ত তথ্যই আমি ‘টাইম টু টাইম’ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে অবহিত করি। এরই মধ্যে বেলা আনুমানিক সাড়ে ১২টা ১৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত আরেকটি কপ্টার পিলখানায় উড্ডয়ন করে। ওই কপ্টার থেকে আর্ম ফোর্সেস বিভাগ থেকে পাঠানো আত্মসমর্পণ সংক্রান্ত লিফলেট ফেলা হয়। তবে ওই লিফলেটে কি লেখা ছিল, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কারণ, লিফলেট ছাপা বা তা পড়ে দেখার- পুরো বিষয়টিই আমার আওতাবহির্ভূত। সাবেক এই বিমানবাহিনী প্রধান তার সাক্ষ্যে আরও বলেন, লিফলেট ফেলার সময় হেলিকপ্টারটি নিচু (৩০০০ ফুটের মধ্যে) দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা কপ্টারটি লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে কপ্টারের ফুয়েল ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়- যা পরে মেরামত করা হয়েছে। পরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘যমুনা’য় যাওয়ার নির্দেশ পেয়ে বেলা পৌনে ২টা থেকে ২টার মধ্যে সেখানে যাই। সেখানে আগে থেকেই সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত ছিলেন। আমি পৌঁছার পর নৌবাহিনী প্রধানও হাজির হন। প্রধানমন্ত্রী তখন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে মিটিং করছিলেন। ওই মিটিং শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং আমরা তিন বাহিনীর তিন প্রধান- মোট ৫ জন মিলে মিটিং করি। মিটিংয়ের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী আমাদের জানান, আত্মসমর্পণের জন্য বিডিআরের একটি প্রতিনিধি দল ‘যমুনা’য় আসছে। পরে ডিএডি তৌহিদের নেতৃত্বে ডিএডি হাবিব, ডিএডি নাসির, ডিএডি রহিম, ডিএডি জলিল, সিপাহি সেলিম রেজা, হাবিলদার রফিক, ল্যান্সনায়েক মনিরুজ্জামান, সিপাহি মনিরসহ ১২-১৪ জনের একটি দল ‘যমুনা’য় আসে। তারা খুবই উত্তেজিত ছিল এবং তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কর্কশ কথাবার্তা বলছিল। প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, তোমরা অস্ত্র সমর্পণ করো। অফিসার ও তাদের পরিবারদের এখুনি ছেড়ে দিতে হবে। এখুনি পিলখানায় ফোন করে অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দাও। নতুবা, তিন বাহিনীর প্রধানরা এখানে আছেন। তারা কঠোর অ্যাকশনে যাবেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করার পর বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা আত্মসমর্পণের উদ্দেশ্যে পিলখানায় চলে যায়। তবে আলোচনার কোন পর্যায়েই তারা পিলখানায় সেনা অফিসারদের হত্যার বিষয় স্বীকার করেনি। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে তা গোপন করে। সাক্ষ্য শেষে আসামিপক্ষের তিন আইনজীবী এডভোকেট আমিনুল ইসলাম, শামীম সরদার ও ফারুক আহমেদ বিমানবাহিনী প্রধানকে জেরা করেন।
জেরার পূর্ণ বিবরণী: সাক্ষ্য দেয়া শেষে সকাল ১০টা ৯ মিনিটের দিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আমিনুল ইসলাম ডিএডি তৌহিদ, নাসির ও রফিকের পক্ষে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল শাহ মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানকে জেরা করেন। আইনজীবী জিজ্ঞাসা করেন- গত ১২ই জুন অবসরে যাওয়ার সময় আপনার বয়স কত ছিল? জবাবে বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, ৫৭ বছর। সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আপনার চাকরির মেয়াদ তো ২ বছর বাড়ার কথা? সেনা রুলস অনুযায়ী ছিল না। মইন উ আহমদের চাকরির মেয়াদ ২ বছর বেড়েছিল- জানেন? জি। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে আপনি কবে জবানবন্দি দিয়েছিলেন? ১৪ই মার্চ ২০১০। তদন্ত কর্মকর্তা আপনাকে কতক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন? আনুমানিক ১ থেকে দেড় ঘণ্টা। জবানবন্দিতে যা বলেছিলেন তা কি তিনি লিখে নিয়েছিলেন? জি। ২৫শে ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহ ঘটনা কখন জেনেছিলেন? সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। তারেক আহমদ সিদ্দিকী কি ঘটনা জানিয়ে আপনাকে কোন অফিসিয়াল আদেশ দিয়েছিলেন? ফোনে অফিসিয়াল আদেশ দিয়েছিলেন। ফোনে তিনি কিছু সমস্যার কথা বলেছিলেন। তবে বিস্তারিত কিছু বলেননি। প্যারা মিলিটারি ফোর্স স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন- জানেন? জি। সিদ্দিকী সাহেবের ফোনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইজিপি’র সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন? জি না। সিদ্দিকী সাহেবের ফোনের পর আপনারা তিন বাহিনীর প্রধানরা একে অপরের সঙ্গে ফোনে বা সামনাসামনি বৈঠক করেছিলেন? জি না। কোন কপ্টার কোথাও পাঠানোর জন্য কি আপনাকে সরকারের অনুমতি নিতে হয়? জি। পিলখানার ঘটনায় কয়টি কপ্টার উড্ডয়ন করেছিলেন? ৫টি। কপ্টার উড্ডয়নের পূর্বে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কোন কথাবার্তা হয়েছিল? জি না। প্রথম কপ্টারটি কেন পাঠিয়েছিলেন? প্রথম দু’টি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য। তৃতীয়টি লিফলেট ফেলার জন্য। লিফলেট ফেলার আগে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টার সঙ্গে সশরীরে যোগাযোগ হয়েছে? জি না। লিফলেট কি আপনার তত্ত্বাবধানে ছাপানো হয়েছিল? না। লিফলেটগুলো কখন কোথায় কে ছাপে তা আমার জানা নেই। তবে সাধারণভাবে এটা আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে ছাপা হয়ে থাকে। লিফলেটের ভাষা উস্কানিমূলক ছিল? জানা নেই। পিলখানা পর্যবেক্ষণের সময় গাছের ফাঁকে ফাঁকে সৈন্য দেখা গেছে? জি। আপনি অন্যের শেখানো কথা বলছেন? সত্য নয়। ৮ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে এমন চিত্র মিলেছিল। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগে মইন উ আহমদের সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছিল? জি, কিছু কথা হয়েছিল। তিনি কি কর্নেল মুজিব ও কর্নেল এনায়েতের লাশ পাওয়ার কথা বলেছিলেন? না, বলেননি। নিউ মার্কেট এলাকায় দু’জনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা বলেছিলেন? বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়া রিপোর্টেও এটা বলেছিলেন। যতক্ষণ ‘যমুনা’য় ছিলেন ওই সময়ের মধ্যে পিলখানায় কেউ নিহত হয়েছিলেন? আমি তেমন কিছু জানতাম না। ‘যমুনা’য় প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আপনার দেখা এবং কথা হয়েছিল? বের হওয়ার সময় দেখেছি। তবে কারও সঙ্গে কথা হয়নি। কপ্টার পর্যবেক্ষণ কতক্ষণ চলেছে? ১৬টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় পুরো বিষয়টি টাইম টু টাইম নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে অবহিত করেছি। আপনি মিথ্যা বলছেন? সত্য নয়। ‘যমুনা’য় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মতিয়া চৌধুরী, শেখ সেলিমের সঙ্গে আপনার দেখা ও কথা হয়েছে? দেখা হয়েছে। তবে কথা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কি একটি বৈঠকই হয়েছে? জি। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীই আপনাদের জানিয়েছেন, বিডিআর সদস্যরা ‘যমুনা’য় আসছে? জি। প্রধানমন্ত্রী যখন বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন তখন আপনারা বাইরে অপেক্ষা করছিলেন? প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেন কিনা তা জানি না। আই হ্যাভ’নট সিন দ্যাট। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিএডি তৌহিদ, নাসির, রহিম উত্তেজিতভাবে কথা বলেছেন- এটা আপনি মিথ্যা বলছেন? আপনি সঠিক নন। ঠিক নয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় বিডিআর সদস্যরা হত্যার বিষয়ে কিছুই বলেননি- আপনি অন্যের শেখানো কথা বলছেন? এটা সত্য নয়। পিলখানার প্রকৃত ঘটনা আপনারা গোপন করছেন? সত্য নয়। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করার চেষ্টা আপনারা করেননি? সত্য নয়। প্রকৃত দোষীদের আড়াল করতে আপনারা দীর্ঘ সময় কালক্ষেপণ করেছেন? মিথ্যা। সত্য নয়। প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য আসামিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন? সত্য নয়। প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন? শর্তসাপেক্ষে সাধারণ ক্ষমার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কন্ডিশন ফুলফিল হয়নি। তাই আপনারা অ্যাকশনে গিয়েছিলেন? কথাটা ঠিক নয়। ‘যমুনা’র বৈঠক, সমঝোতা, আত্মসমর্পণ- সবই ছিল পাতানো খেলা? সত্য নয়। ২৫শে ফেব্রুয়ারি ভিনদেশী একটি বিমান শিডিউল ভেঙে উড্ডয়ন করেছিল? মনে পড়ছে না। আসামিরা বলছে- তারা নির্দোষ, পিলখানার অভ্যন্তরে বহু বহিরাগত অনুপ্রবেশ করেছিল? ঘটনা প্রবাহ যা জানা- তাতে এটা সত্য নয়। বহিরাগত অনুপ্রবেশ নির্বিঘ্ন করতেই পিলখানার আশপাশের ৩ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের মাইকিং করে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল? এমন কিছু মনে করতে পারছি না। পিলখানার হত্যা ঘটনা সম্পর্কে আসামিরা কিছু জানতেন না বলেই তারা ‘যমুনা’য় এ বিষয়ে কিছু বলেননি? সত্য নয়। আপনি সেনাপ্রধান দ্বারা গাইডেড ছিলেন? নট অ্যাট অল। কোনভাবেই নয়। সেনাপ্রধান যে তথ্য-উপাত্ত জানতেন- তা আপনারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে গোপন করেছেন? সঠিক নয়। বেলা ১১টা ১৭ মিনিটে ১০ মিনিটের বিরতি দেন বিচারক। পরে আবদুল জলিলের পক্ষে বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধানকে জেরা করেন এডভোকেট শামীম সরদার। তিনি জানতে চান, সকাল সাড়ে ৯টায় তারেক আহমদ সিদ্দিকীর কাছ থেকে ঘটনা জানার পর আপনি কোথায় ছিলেন? অফিসের মিটিংয়ে। মিটিং শেষে ১১টা থেকে আনুমানিক ২টা পর্যন্ত নিজের অফিসেই ছিলাম। এ সময় কি আপনি টিভি দেখেছিলেন? জি। রিকশাচালক আমজাদ, ছাত্র তারিক, সবজি বিক্রেতা হৃদয় ব্যাপারি, কর্নেল মুজিব ও কর্নেল এনায়েতের নিহত হওয়ার ব্রেকিং নিউজ দেখেছিলেন? প্রথম তিনজনের ব্রেকিং নিউজ দেখেছি। শেষ দু’জনের দেখিনি। হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো আপনা দায়িত্ব ছিল? আওতার মধ্যে পড়ে না। আপনার বাহিনীই কপ্টার থেকে পিলখানার অভ্যন্তরে বৃষ্টির মতো গুলি চালায়? সত্য নয়। ওই গুলিতেই ‘সেম সাইড’ হয়? এটা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। এ রকম কোন ঘটনা ঘটেনি। বিডিআর সদস্যরা তিন বাহিনী প্রধানদের সামনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে রাজি হচ্ছিল না- তারা বলছিল ‘আমরা তিন বাহিনী প্রধানদের সামনে আলোচনা করবো না’- শুনেছেন? শুনেছি। বিডিআরদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সময় আপনারা ছিলেন না? সঠিক নয়। ছিলাম তো। হত্যার কথা গোপনের কথা মিথ্যা বলছেন? একেবারেই সঠিক নয়। বিডিআর প্রতিনিধি দলে আবদুল জলিল ছিলেন না? সত্য নয়। আপনি তাকে ওইদিন দেখেননি? সত্য নয়। কে আবদুল জলিল তা ওইদিন আপনি জানতেন না? কথাটা সঠিক নয়। আসামি সেলিম রেজার পক্ষে এরপর সাক্ষীকে জেরা করেন এডভোকেট ফারুক আহমেদ। পিলখানায় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বৃষ্টির মতো গুলি করা হয়েছে মন্তব্যে বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান বলেন, বিমানবাহিনীর তরফে কোন পর্যায়েই কোন গুলি করা হয়নি। গুলি করার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল। একটি বিমান থেকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট ফেলা হয়েছিল। এর বাইরে কোন কপ্টারেই অন্য কিছু ছিল না। কপ্টারে কোন ধরনের অস্ত্র বহন করা হয়নি। তাই গুলি করার প্রশ্নই ওঠে না। বিমানবাহিনী প্রধানকে জেরা শেষে আরও একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়। এরপর বেলা পৌনে ১টায় আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করেন বিচারক।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট