Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি দুদক

স্টাফ রিপোর্টার: পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের পক্ষে বা তার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সাকোর বিরুদ্ধেও কোন ধরনের প্রভাব বিস্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ বিশ্বব্যাংকে জানানো হয়েছে। কি প্রক্রিয়ায় এই অনুসন্ধান করা হয়েছে তা-ও বিশ্বব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও শেষ হয়নি। এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে এটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে কানাডাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জবাব এখনো আসেনি। এ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে। গতকাল দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। গোলাম রহমান জানিয়েছেন, দুদকের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যর কপি গতকাল বৃহস্পতিবার সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে বিশ্বব্যাংক যদি তাদের ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোন দলিলাদি উপস্থাপন করে অনুসন্ধান সম্পর্কে আপত্তি জানায় তবে আবারো অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো হবে।
দেশের সর্ববৃহৎ নির্মাণ প্রকল্প পদ্মা সেতুর অর্থ যোগানদাতা বিশ্বব্যাংক পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত অক্টোবরে তাদের অর্থায়ন স্থগিত করে। পরে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে পৃথক দু’টি তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে দুদক। সংবাদ সম্মেলনে গোলাম রহমান বলেন, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে এ প্রকল্পের প্রাক-যোগ্য প্রতিষ্ঠান করার বিনিময়ে অর্থ নেয়ার অভিযোগের সত্যতাও মিলেনি। প্রাক-যোগ্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, চুক্তিমূল্যের ওপর নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ প্রদানের শর্তে কাজ দেয়ার বিষয়ে সৈয়দ আবুল হোসেনের হয়ে তাদের কাছে কেউ কোন অর্থ দাবি করেনি বলে তারা জানিয়েছে। গোলাম রহমান বলেন, সেতুর পরামর্শক নিয়োগে প্রাকযোগ্যতা মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেছে দুদকের অনুসন্ধানকারী টিম। কমিটির প্রধান জামিলুর রেজা চৌধুরী বিশ্বব্যাংকের নীতিমালা অনুসরণ করেই মূল্যায়নের কথা দুদককে বলেছেন। ঠিকাদার নিয়োগের বিভিন্ন ধাপ উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, পদ্মা সেতুর ঠিকাদার নিয়োগের উদ্দেশ্যে ২০১০ সালের ১১ই এপ্রিল আবেদন আহ্বান করে। পরে ১১টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব দাখিল করে। বিশ্বব্যাংক নির্ধারিত মূল্যায়নের বিভিন্ন নির্ণায়ক অনুসরণ করে মূল্যায়ন কমিটি ৫টি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য বিবেচনা করে সুপারিশ করে প্রস্তাব আকারে অনুমোদনের জন্য একই বছরের ২০শে জুলাই বিশ্বব্যাংকে পাঠায়। কিন্তু মূল সেতুর ডিজাইনের আংশিক পরিবর্তন হওয়ায় ওই বছরের ১০ই অক্টোবর বিশ্বব্যাংক পুনঃআবেদনের পরামর্শ দেয়। পরে মূল্যায়ন কমিটি আগের ৫টি প্রতিষ্ঠানকেই আবার যোগ্য বিবেচিত করে। গোলাম রহমান বলেন, মূল্যায়ন কমিটির মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় ‘অযোগ্য বিবেচিত’ ৬টি প্রতিষ্ঠানের একটি চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন। বিশ্বব্যাংক এ প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাক-যোগ্য বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে (বাসেক) একাধিকবার অনুরোধ করে। কিন্তু পদ্মা সেতুর ডিজাইন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি বারবার ওই প্রতিষ্ঠানকে অযোগ্য বিবেচিত করে বিশ্বব্যাংককে জানায়। একই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য বিশ্বব্যাংকে প্রেরণ করে। পরে গত বছরের ১লা জুলাই প্রস্তাবিত প্রাক-যোগ্যতা মূল্যায়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক সম্মতি দেয়। এর পরপরই অভিযোগ ওঠে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন এবং তার প্রতিষ্ঠান সাকো-এর প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে সাকোর সাইলেন্ট এজেন্ট নিয়োগের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নামে জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। এ সময় তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জমি অধিগ্রহণ এবং আনুষঙ্গিক যে সব বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তা তদন্ত করতে পৃথক তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি দুদক

  1. sohan

    February 3, 2012 at 6:35 pm

    DUDOK SORKER ER HIA GESE