Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

এ সিদ্ধান্ত রহস্যজনক ও দুর্ভাগ্যজনক

পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের চুক্তি বাতিলকে রহস্যজনক হিসেবে উল্লেখ করে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বাতিল করে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত শুধু দুঃখজনকই নয়, রহস্যজনক ও দুর্ভাগ্যজনক। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে তাদের অর্থায়ন বাতিলের ঘোষণা দেয়। ২৯০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পে তাদের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল।
বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানতে গতকাল সকালে যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক, দুঃখজনক ও রহস্যজনক।” রহস্যজনক বলার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, “একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগ আসা মানেই দুর্নীতি প্রমাণ হয়ে যাওয়া নয়। দুর্নীতি দমন কমিশন এ নিয়ে তদন্ত করছে। তার মধ্যেই বিশ্বব্যাংকের এই ঘোষণা এলো।” বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ মিলেছে দাবি করে বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে অর্থায়ন বাতিল করেছে। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন স্থগিত করলেও সরকারের পক্ষ থেকে বরাবরই তা প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। ঝুলে যাওয়া পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ এরই মধ্যে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিলেও বিশ্বব্যাংকের আশা ছাড়ছিল না বাংলাদেশ। যোগাযোগমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবারও বলেন, “মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পর চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগ পর্যন্ত বিকল্প পথ খোলা রয়েছে। এখনও সমঝোতার (বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে) দরজা বন্ধ হয়নি।” বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে জটিলতার মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিল সরকার। গত ১০ই এপ্রিল মালয়েশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়। গত ২৮শে জুন চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে খসড়া প্রস্তাব দেয় মালয়েশিয়া। বিশ্বব্যাংক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ায় মালয়েশিয়ার সঙ্গেই এগোনো হবে কিনা- জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করা হবে। মালয়েশিয়ার প্রস্তাবটি গ্রহণের ক্ষেত্রে এবং আলোচনায় জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগের আঙুল সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের দিকে, যদিও তিনি অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তবে দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে গত বছরের ডিসেম্বরে আবুল হোসেনকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এরপর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসেন ওবায়দুল কাদের।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট