Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অবশেষে স্বস্তির জয়

অবশেষে স্বস্তির জয়। জিম্বাবুয়ের মাটিতে যে জয় হয়ে উঠেছিল সোনার হরিণ। শক্তির বিচারে দুর্বলতর এ দলটির বিপক্ষে জয় নিয়েও তাই স্বস্তির শ্বাস ফেলতে হচ্ছে বাংলাদেশের অগণিত ক্রিকেটপ্রেমীকে। টানা চার ম্যাচ হারের পর গতকাল বাংলাদেশের হাতে জয় ধরা দিলো স্বপ্নের মতো। আর এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে অধিনায়কের ৩১, সহঅধিনায়কের অপরাজিত ২৯ ও নাসির হোসেনের ৪১ রান। দলের প্রয়োজনে তাদের লড়াই বাংলাদেশকে শুধু জয়ই এনে দেয়নি, বাঁচিয়ে রাখলো ত্রিদেশীয় টি-২০ টুর্নামেন্টে ফাইনালের খেলার স্বপ্নও। জিম্বাবুয়ের ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে করা ১৪৯ রানের জবাবে বাংলাদেশ ১৫ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৫৩ রান। তুলে নেয় ৬ উইকেটের জয়। তবে ফাইনালে খেলতে হলে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিততেই হবে। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে না হারলে সমীকরণটি এত কঠিন হতো না। জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় নিয়ে এগিয়ে আছে। আর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ অফ্রিকার জয়-পরাজয় এখন সমান সমান। তাই আজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারলে ফাইনালের জন্য এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। নয়তো আবারও তাকিয়ে থাকতে হবে জিম্বাবুয়ে-দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ ম্যাচের দিকেই।
১৫০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুটা বেশ উড়ন্ত হলেও একটু পরেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ৪৫ রান সংগ্রহ করতে সাজঘরে ফিরেছেন দলের অভিজ্ঞ আর সিনিয়র ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি করেছেন ১০ বলে ১৯ রান। অন্যদিকে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা তামিম অশুভ সংখ্যা ১৩ সংগ্রহ করতেই রান আউটের শিকার। আর আনামুল হক বিজয় যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি আউট হন ১১ রানে। তাদের তিন জনের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে তখনও রুগ্‌ণ সংগ্রহ  ৫২। আর এখান থেকে নাসির হোসেনকে নিয়ে লড়াই শুরু করেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। দলের জন্য রানআউট হওয়ার আগে সংগ্রহ করেন ২৩ বলে ৩১ রান। তবে নাসির হোসেন অধিনায়কের অনুপ্রেরণায় হাল ছাড়লেন না। স্বরূপে ফিরে ৩১ বলে ৩টি চার মেরে তুলে নেন অপরাজিত ৪১ রান। তবে তাকে ভালভাবেই সঙ্গ দেন দলের সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শুধু তাই না হাঁকালেন ৩টি চার ও ১টি ছয়ও। তিনি করেন ১৪ বলে অপরাজিত ২৯ রান। তাদের দু’জনের লড়াই শেষে জিম্বাবুয়ের ১৪৯ রানকে টপকে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে জমা পড়ে ১৫৩ রান। আর নিশ্চিত হয় ৬ উইকেটের জয়। এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে আবারও বাংলাদেশের সামনে মাসাকাদজার অপ্রতিরোধ্য মূর্তি। ব্যাট হাতে গতকালও বাংলাদেশের বোলারদের তিনি আমকাতারেই রাখেন। অবশেষে মাশরাফি বিন মর্তুজার বলে ক্যাচ দিয়ে মাসাকাদজা আউট হন। কিন্তু তার আগেই তিন টুর্নামেন্টের তৃতীয় অর্ধ শতকটি হাঁকিয়ে ফেলেন। করেন ৫৪ বলে ৫৬ রান। আর তার এই ফিফটির সুবাদে ২০ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৪৯ রান ৮ উইকেট হারিয়ে। মাসাকাদজা এখন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী। তার সংগ্রহ তিন ম্যাচে ১৭২ রান। এই পর্যন্ত হাঁকিয়েছেন ১৬টি চার ও ৪টি ছয়। মাসাকাদজার সঙ্গে ব্যাট হাতে টেলর ও মাতসিকেনেরি সমানসংখ্যক ২৭ রান নিয়ে দলের স্কোর বোর্ডের অবদান রাখেন। বাংলাদেশের পক্ষে মাশরাফি ২টি ও ইলিয়াস সানি, মাহমুদুল্লাহ, জিয়া আর আবুল  হোসেন নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টসঃ জিম্বাবুয়ে ( ব্যাটিং)
জিম্বাবুয়েঃ ২০ ওভারে ১৪৯/৮ (মাসাকাদজা ৫৬, টেইলর ২৭,  মাতসিকেনেরি ২৭, মাশরাফি ২/২৮)
বাংলাদেশঃ ২০ ওভারে ১৫৩/৪ ( নাসির হোসেন ৪১, মুশফিকুর রহিম ৩১, মাহমুদুল্লাহ ২৯, আশরাফুল ১৯, জারভিস ১/১৮)
ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: মাশরাফি

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট