Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিভক্ত ডিসিসি’র মানচিত্র দু’মাসেও চিহ্নিত হয়নি

আহমেদ জামাল: দ্বিখণ্ডিত হওয়ার প্রায় দু’মাস পার হলেও ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) দুই অংশের ওয়ার্ডভিত্তিক ভৌগোলিক মানচিত্র চিহ্নিত করতে পারেনি  এখনও। এতে ওই সব এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে  দুই সিটি করপোরেশনের মোট আয়তন চিহ্নিত করে দু’টি মানচিত্র প্রকাশ করেই আত্মতৃপ্তিতে ভুগছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাক দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জিওগ্রাফি বিভাগ সূত্র জানায়, এই সিটি করপোরেশন দু’ভাগ হওয়ার পর সরকারের প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী তাড়াহুড়ো করে দু’টি বিভক্ত মানচিত্র তৈরি করা হয়। ওয়ার্ডের কোন মানচিত্র তৈরি করতে পারেনি। ১৯৯৮ সালে করা ওয়ার্ডের মানচিত্র এখনও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন নগরীর মোহাম্মাদপুর নবোদয় হাউজিং-এর আশপাশের এলাকায় অনেক সড়ক ও নতুন ভবন হয়েছে। এসব সড়ক ও ভবনের কোন চিত্র ডিসিসি’র কাছে নেই। একইভাবে মিরপুরের পল্লবী ও লালকুটিরের এলাকা সমপ্রসারিত হয়েছে বহু আগে। কিন্তু তারও কোন তথ্য নেই ডিসিসি’র জিওগ্রাফি বিভাগে। আবার ডিসিসি বিভক্ত হওয়ার পর কিছু ওয়ার্ডে পরিবর্তন হয়েছে। সেগুলোর পরিবর্তিত ভৌগোলিক চিত্র তৈরি করা হয়নি। এক কথায় পুরানো মানচিত্র দিয়েই চলছে দুই অংশের কার্যক্রম। এ ব্যাপারে সংস্থার জিওগ্রাফি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, অল্প সময়ের কারণে ওয়ার্ড ভিত্তিক মানচিত্র এখনও করা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে করা হবে। মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী আমরা আলাদা দু’টি মানচিত্র করে দিয়েছি। সামগ্রিকভাবে করতে একটু সময় লাগবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত মিরপুরের দক্ষিণ লালকুটির স্থায়ী বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, ডিসিসি’র ভৌগোলিক মানচিত্রে লালকুটির বর্ধিত অংশের চিত্র নেই। তাই নির্মিত বাড়িগুলোর জন্য রাস্তার কাজও করছে না কোন প্রতিষ্ঠান। এসব বাড়িতে ভাড়াটিয়া থাকতে চাচ্ছে না। বাড়িওয়ালারা লোন নিয়ে বাড়ি তৈরি করে ভোগান্তিতে পড়ছেন। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রায়েরবাজার, বাড্ডা, কামরাঙ্গীর চর, ইসলামবাগ, বাবুবাজার, পোস্তগোলা, আলমবাগ, মুরাদপুর, দক্ষিণ যাত্রবাড়ী, মানিকনগর, রাজারবাগ এবং গোড়ানসহ বিভিন্ন এলাকায় ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। তার কোন তথ্য-উপাত্ত সিটি করপোরেশনের কাছে নেই। এ ব্যাপারে জিওগ্রাফার কাজী হাসিবা জাহান বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক মানচিত্র করার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, ১৯৯৮ সাল থেকে আমরা ডিসিসি’র মানচিত্র তৈরি করার কাজ শুরু করি। কয়েকটি ফেইজে এ কাজ করা হয়েছে। একেকটি ফেইজে ১০ থেকে ১২টি ওয়ার্ড করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০০৮ সালে ১৫টির কাজ করা হয়েছে। শিগগিরই বিভক্ত ডিসিসি’র ওয়ার্ডের মানচিত্র করার কাজ শুরু হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট