Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ইম্পিচমেন্ট করা না-ও হতে পারে

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, হাইকোর্টের বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীকে অপসারণ বা ইম্পিচমেন্টের যে দাবি সংসদ সদস্যরা করছেন সেটি সম্ভবত নাও করতে পারেন। গতকাল বিবিসি’কে তিনি একথা বলেন। উচ্চ আদালতের এক রায় নিয়ে সমপ্রতি স্পিকার আবদুল হামিদের বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল বলে অভিযোগ করেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী। এ নিয়ে সংসদ অধিবেশনে তীব্র সমালোচনা করা হয়। ক্ষমতাসীন মহাজোটের সংসদ সদস্যরা ওই বিচারকের অপসারণের দাবিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের দাবি করেন। কিন্তু আইনমন্ত্রী বলছেন, স্পিকার এই বিষয়ে যে রুলিং দেবেন তারপর এই তর্কের অবসান ঘটবে বলে তিনি আশা করছেন। কিন্তু আশাবাদের কারণ কি। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, আশাবাদের পেছনের কারণটা হলো আমাদের স্পিকার যেমন অভিজ্ঞ, দক্ষ ও পণ্ডিত ব্যক্তি। উনি জানেন যে, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সেই রাষ্ট্র সংবিধান অনুযায়ী চলে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ বা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে বিচার বিভাগ এবং সংসদ প্রত্যেকে কিন্তু তার নিজ নিজ অধিকার অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। আপনি আশা করছেন- আপনার সঙ্গে সমপ্রতি স্পিকারের একটি বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে এ বিষয়ে স্পিকার কি আপনাকে কিছু বলেছেন- বিবিসি’র এই প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, স্পিকারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমাকে বলেছেন, এতে একটা রুলিং দিবেন তিনি। আমার বিশ্বাস এতে একটা সুন্দর সমাধান হবে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে যাতে করে সমস্যার সমাধান হয় সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন স্পিকার। আপনার কথায় মনে হচ্ছে সংসদ সদস্যদের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ঘটনের দাবিতে স্পিকার সাড়া নাও দিতে পারেন। ব্যাপারটি তাই হচ্ছে। শফিক আহমেদ বলেন, উনার রুলিংটি যাতে সব সমস্যার সমাধান হতে পারে। আমি বিশ্বাস করি প্রেসিডেন্টের কাছে ইম্পিচমেন্টের দাবি নাও যেতে পারে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট