Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

প্রতি ইউনিয়নে আদালত-সহকারি নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনাধীন: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৯ জুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার গ্রাম আদালত চালুর জন্য জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা করতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে আদালত সহকারি নিয়োগদানের বিষয় বিবেচনা করছে।

গ্রাম আদালত ব্যবস্থা দেশের সব ইউনিয়নে চালু করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ আদালত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি আদর্শ মডেলে পরিণত হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রাথমিকভাবে গ্রাম আদালতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু ভুলত্রুটি হতে পারে। তবে ধীরে ধীরে এ প্রক্রিয়া একটি মানসম্মত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার এখানে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দু’দিনব্যাপী গ্রাম আদালত সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণকালে এ কথা বলেন।

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত চালু বিষয়ক প্রকল্পের অধীনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী খুব শিগগিরই রংপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার ঘোষণা দেন।

এ সম্মেলনে গ্রাম আদালত আইনের সাফল্য পর্যালোচনা এবং এর ভুলত্রুটি চিহ্নিত করতে ৩৫০টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবগণ অংশ নিচ্ছেন।

এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি নিল ওয়াকার ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রতিনিধি চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মিলকো ভ্যান গুল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবুল আলম এম শহিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত চালু শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক কে এম মোজাম্মেল হক বক্তৃতা করেন।

অনাদিকাল ধরে অনানুষ্ঠানিকভাবে ছোটখাট বিরোধের স্থানীয় মীমাংসা পদ্ধতিকে আনুষ্ঠানিকতা এবং আইনি কাঠামো প্রদানের লক্ষ্যে গ্রাম আদালত আইনকে কার্যকর করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০০৯ সালে ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত চালু’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করে। ইউএনডিপি ও ইইউ’র সহাযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৩৫০টি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত কার্যকর করার কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার প্রকল্প এলাকার বাইরে আরো চার হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি এ ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি এগিয়ে আসার আহবান জানান।

‘ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রাম আদালত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য এক অপূর্ব সুযোগ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা একদিকে যেমন অসাধারণ ক্ষমতা, তেমনি একটি গুরুদায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিচার কাজ পরিচালনার সময় মনে রাখতে হবে, কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্যায়ভাবে কারো প্রতি অবিচার কিংবা ধর্মীয় কুসংস্কার ও গোড়ামিকে যেন প্রশয় দেয়া না হয়।’

তিনি বলেন, যেকোনো ভুয়া অভিযোগের জন্য শাস্তিরও বিধান থাকতে হবে। তিনি মানুষকে বুঝিয়ে ও সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর জোর দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা গ্রাম আদালত আইন সুষ্ঠু ও ন্যায়নিষ্ঠ প্রয়োগের মাধ্যমে ছোটখাট বিরোধের নিষ্পত্তি করে গ্রাম বাংলার মানুষের আস্থা ও ভালবাসা অর্জন করতে পারেন। বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সমাজে সৌহার্দ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন। -বাসস

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট