Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

কারাগারে যেমন ছিলেন নেতারা

কারাগারে অব্যবস্থাপনা ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। ডিভিশনপ্রাপ্তদের নিয়ম অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে তারা শিকার হয়েছেন মন্দ ও অসদাচরণের। ডিভিশনের বাইরে থাকা রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের যন্ত্রণা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। যা সাধারণ কারাবন্দিরা প্রতিনিয়তই ভোগ করছেন। বৃটিশ আমলের জেল কোড ও কারা কর্তৃপক্ষের অনিয়মের শিকার নেতারা জেল কোডে পরিবর্তন আনা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন। মানবজমিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নেতারা বলেছেন, কারাগারে মানবাধিকার বলতে কিছুই নেই। সেখানে সবাই মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকার সাধারণ মানুষের মানবাধিকার রক্ষায় যেমন ব্যর্থ হয়েছে, তেমনি কারাবন্দিদের মানবাধিকার রক্ষায়ও ব্যর্থ হয়েছে। নেতারা আরও বলেন, মামলা ও কারাগারে মানসিক নির্যাতনের পরও তাদের মনোবল ভাঙেনি। কারাবন্দি নেতারা আন্দোলন অব্যাহত রাখার তাগিদ দিয়েছেন। তারা মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনতে রাজনীতিবিদদের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।
জেল কোডে আমূল পরিবর্তন
জরুরি: অলি
কাশিমপুর জেলে সরকারি নিয়ম-অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পেয়েছি। বিদ্যুতের প্রকট সমস্যায় কষ্ট পেয়েছি। ৬-৭ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকতো না। জেনারেটর থাকলেও ঘণ্টায় ৪৫ লিটার ডিজেলের প্রয়োজন বলে তা বেশির ভাগ সময়ই বন্ধ থাকতো। কারা কর্তৃপক্ষ বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও গ্যাস জেনারেটর দেয়া হয়নি। বরং, আরেকটি ডিজেল জেনারেটর কাশিমপুর কারাগারে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জেল কোড এখনও বৃটিশ আমলের। সাধারণ কয়েদিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো উচিত। তাদের মধ্যে অনেকেই সাজাপ্রাপ্ত, আবার অনেকেই হাজতি। একজন মানুষ নাগরিক হিসেবে কারাগারে যে অধিকার ও সুবিধা পাওয়ার কথা তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সুতরাং, অনতিবিলম্বে বর্তমান যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে জেল কোডের আমূল পরিবর্তন আনা উচিত। এছাড়াও প্রতি দু’বছর অন্তর কমিশন করে যেসব নিরাপদ ব্যক্তি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের আইনি সহায়তা ও জেল থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করা উচিত। ঢাকা জেলে আমাদের লাগেজগুলো যখন চেক করা হয় তখন আমরা উপস্থিত ছিলাম না। এটা সমপূর্ণ বেআইনি। আমি পরে দেখেছি, আমার লাগেজে বেশ কিছু জিনিস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার কাছ থেকে কারা কর্তৃপক্ষ যে ক্যাশ টাকা জমা নিয়েছিল ঢাকা কারাগার থেকে যখন কাশিমপুর রওনা দিই তখন ৪ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। জেলের অভ্যন্তরে ব্যক্তিগত তহবিল খরচের সময় কারা কর্তৃপক্ষ আমার স্বাক্ষর ছাড়া কিভাবে এ টাকা খরচ করল তা আমার বোধগম্য নয়। সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হলো- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের খাবার নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি।
কারা কর্মকর্তাদের চোখে মুখে আতঙ্ক দেখেছি: আনোয়ার
সদ্য কারামুক্ত বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ার বলেছেন, একটি অস্বাভাবিক সরকারের কারাগারে আমরা যা আশঙ্কা করেছি তা-ই হয়েছে। কারাগারে আমরা বিশেষ কিছু প্রত্যাশা করিনি। কিন্তু যেটা আমাদের অধিকার সেটাও পাইনি। ডিভিশন দিয়েছে সত্য কিন্তু ডিভিশনের কোন সুযোগ সুবিধাই দেয়নি। আমাকে ‘নেয়ামুল কোরআন’-এর মতো একটি ইসলামী বই সঙ্গে নিতে দেয়া হয়নি। দাড়ি-গোঁফ কাটার ছোট্ট একটি কাঁচিও নিতে দেয়নি। সেখানে বিদ্যুৎসহ অন্যান্য অসুবিধা তো ছিলই। অন্য যেসব সহকর্মী কারাগারে আছেন তাদের জন্য কষ্ট হয়। তিনি বলেন, সবচেয়ে আশ্চর্য হয়েছি কারা কর্মকর্তাদের আচরণ দেখে। তারা আমাদের নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন সর্বদা। তাদের চোখে মুখে আতঙ্ক দেখেছি। আমাদের থেকে তারা দূরে দূরে থাকতে চেয়েছেন। আতঙ্কিত এ কারণে, আমাদের কোন খাতির করলে আবার চাকরি চলে যাবে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, আমাদের মুক্তি দেয়া হলে বিরোধীদল সংসদে যাবে এমন কোন সিদ্ধান্তের কথা জানি না। আমাদের রাজনৈতিক সহকর্মীরা কি বলেছেন জানি না। তবে আমাদের সিনিয়র নেতাদের কারাগারে রেখে আমরা সংসদের ব্যাপারে আগ্রহী নই। সংলাপ নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীরা একেক সময় একেক কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই, আগামী নির্বাচন মহাজোট সরকারের অধীনেই হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যাপারে আলোচনার কথা বলেছেন। কিন্তু কোনটিকে আমরা সরকারের কথা হিসেবে নেবো বুঝতে পারছি না। তবে এটা সত্য, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের ঘোষণা ছাড়া কোন আলোচনা বা সংলাপই ফলপ্রসূ হবে না। এম কে আনোয়ার বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ‘যুদ্ধের’ কথা বলেছেন। যেখানে দেশের জনগণ, পেশাজীবী, সুশীল সমাজ, বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল ও আন্তর্জাতিক মহল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে মত দিয়েছে সেখানে সরকার কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে? সরকার কি জনগণের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চায়? সে যুদ্ধ হলে ফলাফল কেমন ভয়াবহ হবে তা সরকারের উপলব্ধিতে আসছে না। তারা কেবল জনবিচ্ছিন্ন হয়ে আবোল-তাবোল কথাবলা শুরু করেছে। তিনি বলেন, জনমতের বিষয়টি সরকার ইদানীং কিছুটা বুঝতে পারছে। আন্তর্জাতিক মহলও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। তবে বিরোধীদল হিসেবে আমরা নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় জনগণকে সম্পৃক্ত করে আন্দোলন চালিয়ে যাবো। মামলার হয়রানিতে আন্দোলন থামানো যাবে না।
মামলা, হামলায় আন্দোলন থামানো যাবে না: পার্থ
সদ্য কারামুক্ত ১৮ দলীয় জোটের নেতা ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)-র চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, মামলা-হামলা করে নেতাদের কারাগারে ঢুকিয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন থামানো যাবে না। বিরোধী দল দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন করছে। দেশের জনগণ এ আন্দোলনের পেছনে আছে। মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন পার্থ। তিনি বলেন, দেশে সৎ, প্রতিশ্রুতিশীল সুস্থ ধারার রাজনীতি জোরদার করতেই আমি রাজনীতিতে এসেছি। আমি তো কারও কোন ক্ষতি করিনি। শুধু মানুষের জন্য- শেয়ারবাজার নিয়ে, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে সরকারের দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেছি। এটিই আমার অপরাধ। এর জন্যই আমার বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর মামলা দেয়া হয়েছে। তবে আমরা জনগণের জন্য কাজ করছি। যত মামলা-হামলা হোক আমাদের আন্দোলন থামবে না। জীবনে কষ্ট কি তা আমি জানি না। কিন্তু রাজনীতিতে এসে প্রথম জেলে থেকেছি। জনগণের জন্য আমি সামনে আরও বড় ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছি। ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, এখন আন্তর্জাতিক ও নানা চাপে সরকার সংলাপ ও আলোচনার প্রয়োজন অনুভব করছে। তবে বিরোধী দলের নেতাদের জেলে রেখে কোনও সংলাপ ও আলোচনা হতে পারে না। আশা করি, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তারা কারাবন্দি নেতাদের মুক্তি দিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেবে। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার নামই গণতন্ত্র। আওয়ামী লীগ যদি এর বিকল্প কিছু চিন্তা করে তাহলে ভুল করবে। কারণ জনগণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও ক্ষমতা হস্তান্তর চায়। বিকল্প চিন্তা করলে জনগণই এর জবাব দেবে। কারাগারের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো কারাগারে যাওয়ার পর মন খারাপ ছিল। পরে যখন মনে হয়েছে- মানুষের জন্য কথা বলতে যাওয়ায় আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তখন আর খারাপ লাগেনি। আমি বিএনপি মহাসচিবকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- আমি তো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি। সৎ এবং সুস্থ রাজনীতি করতে এসেছি। আমার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হলো কেন? তিনি বলেছিলেন, আপনি নতুন স্বপ্ন দেখলেও যাদের সঙ্গে রাজনীতি করতে এসেছেন তারা এখনও পুরনো ধাঁচেই আছে। তারা বদলায়নি। এর জন্য ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে। পার্থ বলেন, আমি নিজেও অনুভব করি রাজনীতিতে পরিবর্তনের জন্য আমাদের আরও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। কাজ করতে হবে। দেশের তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠছে। তারা পুরনো সংঘাত আর বিভেদের রাজনীতিকে রুখবেই।
জীবন সেখানে মানবেতর: খোকন
কারাগারে বন্দিরা মানেবতর জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি। আট দিনের কারাভোগের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেছেন, আমাকে ডিভিশন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অত্যধিক গরমের কারণে কারাবাস দুঃসহ হয়ে ওঠে। দিনে তিন বার গোসল করতে হয়েছে। তবে আমাদের তুলনায় সাধারণ বন্দিদের আরও অনেক বেশি কষ্ট করতে হয়। কারাগারে মানবাধিকার বলতে কিছুই নেই। সেখানে সবাই মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকার সাধারণ মানুষের মানবাধিকার রক্ষায় যেমন ব্যর্থ হয়েছে, তেমনি কারাবন্দিদের মানবাধিকার রক্ষায়ও ব্যর্থ হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টে নিজ চেম্বারে মানবজমিন-এর সঙ্গে কথা বলেন প্রথমবারের মতো কারাগারে যাওয়া ব্যারিস্টার খোকন। গাড়ি পোড়ানো মামলায় ২১শে মে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল নিম্ন আদালত। রোববার তার ছয় সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্ট। পরদিন বিকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন গতকাল সকালে আদালতে আসেন। একে একে আইনজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সালাম করেন প্রবীণতম আইনজীবী টি এইচ খানকে। কারাগারে থাকার সময় আইনজীবী ও দেশবাসী তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করায় তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন আরও বলেন, মূলত জিয়া পরিবার ও ইলিয়াস আলীর আইনজীবী হওয়াতেই আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আইনজীবীদের সতর্ক করে দেয়ার চেষ্টা করেছে তারা। মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও ইলিয়াস আলী ইস্যুতে চলমান আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সরকারের ষড়যন্ত্র বুমেরাং হয়ে গেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবশ্যই পুর্নবহাল করতে হবে, ইলিয়াস আলীকে ফেরত দিতে হবে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।
যাচ্ছেতাই আচরণ করেছে কারাগারে: এ্যানী
বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এমপি বলেন, কারাগারে বিরোধীদলীয় সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে যাচ্ছেতাই আচরণ করা হয়েছে। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে। প্রথম দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ১০ সেলকে ডিভিশন ঘোষণা করে সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিজেপি চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমাকে রাখা হয়। কিন্তু একটি খাট আর একটি মশারি ছাড়া ডিভিশনের ন্যূনতম কোন সুযোগ-সুবিধা আমাদের দেয়া হয়নি। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী। কিন্তু প্রথম দিন তাকে তরকারি হিসেবে গরুর মাংস এবং সে মাংসের মধ্যে একটি ডিম দেয়া হয়। তিনি বাধ্য হয়ে উপোস কাটান। এ্যানী বলেন, কাশিমপুর কারাগারে আমাদের নেতাদের রাখা হয়েছে কড়া নজরদারির মধ্যে। কাশিমপুর ২-এর সুরমা ভবনের তেতলায় বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার পার্থ এবং আমি এককক্ষে ছিলাম। আমাদের পাশেই ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা আলমগীর ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস দুলু। তারাই আমাকে কারাগার থেকে বিদায় জানিয়েছেন। ছাত্রদলের সাবেক এ সভাপতি বলেন, মামলা আর জেলজুলুমের ভয় দেখিয়ে সরকার আমাদের আন্দোলন থেকে সরাতে পারবে না। হাজারো মানসিক নির্যাতনের পরও আমাদের নেতাদের মনোবল অটুট। তিনি বলেন, আমরা সংসদে যেতে চাই। জনগণের দাবি-দাওয়া ও সমস্যার কথা তুলে ধরতে চাই। কিন্তু দলের ও জোটের শীর্ষ নেতাদের কারাগারে রেখে সংসদে যাওয়ার পক্ষে নই। এ ব্যাপারে দলীয় সংসদীয় টিমের সদস্যরা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট