Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আলোচনার পথ খোলা আছে: আশরাফ

ঢাকা, ২৭ মে: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, “আলোচনার পথ খোলা আছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সরকার যেকোনো সময়ে আলোচনায় প্রস্তুত।”

রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে ১৪ দলের এক দীর্ঘ বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শরীফ নূরুল আম্বিয়া, গণতন্ত্রী পার্টির নুরুর রহমান সেলিম, গণ আজাদী লীগের হাজী আব্দুস সামাদ, ন্যাপ এর এনামুল হক, জাসদের শরীফ নুরুল আম্বিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দ আশরাফ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, “অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতোই বাংলাদেশেও যথাসময়ে নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন সহ অন্যান্য সহযোগী প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে।”

তিনি বলেন, ‘‘সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন হবে। বিষয়টিতে ১৪ দলের নেতারা একমত।’’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির বেঁধে দেয়া সময় নিয়ে ১৪ দলের ভাবনা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সর্ম্পকে বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের রায় গ্রহণ করেছি। রায়ের আলোকে জাতীয় সংসদ চাইলে আরো দুই দুই বার তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখা যেতে পারে। তবে কোনোক্রমে কোনো বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে পারবেন না।”

তিনি বলেন, “আগামীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন? এটা নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে। এছাড়াও এখানে আরো অনেক কমপ্লেক্স বিষয় আছে।”

সৈয়দ আশরাফ বলেন, “নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করার মাধ্যমে অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো বাংলাদেশেও নির্বাচন করা হবে। এটাই হলো গণতান্ত্রিক রীতিনীতি।”

বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, “অন্তবর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেছি আমরা। আমরা চাই সব দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করুক।”

আলোচনার প্রসঙ্গে মেনন বলেন, “আমরা চাই বিএনপি সুর্নিদিষ্ট প্রস্তাব দিক। যথাসময়ে আলোচনায় বিশ্বাসী আমরা।”

১৪ দলের বৈঠকের আলোচ্যসূচির কথা জানিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “১৪ দলকে গতিশীল করতে সারাদেশে ১৪ দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।”

এছাড়াও দেশের চলমান সময়ে ধান ও পাটের দামের নিম্নমুখিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ১৪ দলের নেতারা। পাশাপাশি দেশের গার্মেন্টস সেক্টর এবং শ্রমিক অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান সৈয়দ আশরাফ।

জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কাজী জাফরুল্লাহ, উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আব্দুল জলিল, আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শরীফ নূরুল আম্বিয়া, গণতন্ত্রী পার্টির নুরুর রহমান সেলিম, গণ আজাদী লীগের হাজী আব্দুস সামাদ, ন্যাপ’র এনামুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট