Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

“কে নাজমুল হুদা, সে তো একটা গাধা।”

ঢাকা, ২৪ মে: মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অভিযোগে আটক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ব্যারিস্টর নাজমুল হুদাকে গাধা বলে মন্তব্য করলেন।

বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-১ এ তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী সলিমুল্লাহর জেরা শেষে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা সম্পর্কে বলেন, ‘‘নাজমুল হুদার মতো এতো বড় গাধা আর নেই’’।

এর আগে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী বলেছিলেন, খালেদা জিয়া ৫ জুনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপের আমন্ত্রণ না জানালে বিএনপি ছেড়ে চলে যাবেন। এই তথ্য বিএনপির এক আইনজীবী তাকে শুনিয়ে বলেন যে, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা আবারও দল ত্যাগ করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।

সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বলেন, “কে নাজমুল হুদা, সে তো একটা গাধা।” ওই সময় তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আরো কয়েক নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করেন। বিএনপির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আববাস সম্পর্কে বলেন, “তার তো সুচি-বায়ু আছে। তার সঙ্গে জেলে থাকা যায় না।”

বিএনপির আরেক নেতা বর্তমান এমপি যে গ্রেফতার হয়ে আটক আছেন দলের যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন সম্পর্কে বলেন, “সে তো আদালতে ছোট-খাট (ছিচকে চোরের) মামলা পরিচালনা করে।”

ওই সময় তিনি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে ‘খাদকও বটে’ বলে মন্তব্য করলেন। শুধুমাত্র তিনি একা খাওয়া -দাওয়া করেন তারা। তার স্ত্রী সিগমা হুদাও এই খাওয়ার সঙ্গে জড়িত।

এ সব কথা বলার সময় তিনি ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিএনপির কয়েক আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। উপস্থিত আইনজীবীরা হলেন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, কাজী জয়নাল আবেদীন, ব্যারিস্টার শেখ তাসনিম ও শাকিলা জাফর।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারাত কাদের চৌধুরী ও তার ছোট ছেলে।

বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে জবানবন্দি দেয়া দ্বিতীয় সাক্ষী সলিমুল্লাহ জেরা সমাপ্ত করেন তার আইনজীবী আহসানুল

নাজমুল হুদা বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান, ‘সংগঠনবিরোধী’ অবস্থানের কারণে যাকে এর আগেও বহিষ্কার করা হয়েছিল।

বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে হুদা বলেন, বর্তমানে ‘বিপর্যয়কর’ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের একটি মাত্র পথ আছে- আর তা হলো ‘দুই নেত্রীর ঐকমত্য’।

‘‘এই ঐকমত্যের লক্ষ্যে আমি সুস্পষ্টভাবে আমার দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি অনুরোধ করছি- ৫ জুনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপে বসার আহবান জানান।’’

‘নেত্রী’ এই অনুরোধ রক্ষা না করলে ৬ জুন বিএনপির সঙ্গে সব সর্ম্পক বিচ্ছিন্ন করে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেন আইনজীবী হুদা।

‘‘আশা করি নেত্রী আমাকে পদত্যাগে বাধ্য করবেন না’’, হুমকির সুর হুদার কণ্ঠে।

শেষ পর্যন্ত বিএনপি ছাড়তে হলে তারপর কী করবেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক মন্ত্রী বলেন, ‘‘সেটা সময়ই বলে দেবে। এই মুহূর্তে তা নিয়ে আমি ভাবছি না। পদত্যাগ করলেও আগামী নির্বাচনে আবার আমি বিএনপির মনোনয়ন চাইব।’’

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপে বসার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সরকার প্রধান হিসেবে সংলাপে বসার উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীরই গ্রহণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তা তিনি করেননি। আমার অনুরোধে সাড়া দিয়ে খালেদা জিয়া যদি আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) সংলাপে আহবান করেন, আশা করি তাতে আপনি সাড়া দেবেন।’’

তা না হলে ১০ জুনের পর দেশের যে কোনো অস্থীতিশীলতার দায়ভার প্রধানমন্ত্রীর ওপর বর্তাবে বলে হুঁশিয়ার করেন হুদা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি ১০ জুনের মধ্যে মেনে না নিলে আগামী ১১ জুন ঢাকায় মহাসমাবেশ করে সরকার পতনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার।

বিএনপি ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর ওই সরকারের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান নাজমুল হুদা। কিন্তু গণমাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের ‘রূপরেখা’ দিয়ে তিনি মন্ত্রীত্ব হারান।

বর্তমানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সে সময় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পক্ষে আন্দোলন করছিল।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঢাকা সেনানিবাসে খালেদা জিয়ার মইনুল রোডের বাড়ি কেড়ে নেয়া হয়। এর প্রতিবাদে ঈদের আগে হরতাল ডাকে বিএনপি।

এই হরতালের সমালোচনা করে হুদা সে সময় দলের মধ্যে তোপের মুখে পড়েন। ‘দলীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখায়’ খালেদা জিয়া ২০১০ সালের ২১ নভেম্বর নাজমুল হুদাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন।

এর ছয় মাস পর ‘অনুতপ্ত’ হুদা বিএনপিতে ফেরার আবেদন জানালে ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল তার প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেন খালেদা জিয়া।

বিএনপিতে ফেরার এক বছরের মাথায় আবারও গণমাধ্যমের সামনে দলীয় অবস্থানের বিরম্নদ্ধে কথা বললেন ব্যারিস্টার হুদা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to “কে নাজমুল হুদা, সে তো একটা গাধা।”

  1. nazmul

    May 24, 2012 at 8:50 pm

    desh er valo er jonno kesu bolle se gadha hoy ………..kentu salaudden ke kokhono vabse tar jonmer pesone tar babar caite pak senader vumikai besi celo karon paksenader khusi kora tar babar onnotomo daikto o kortobbo celo sala bejonma banglar matite salaudden kader er moto bejonma jotoden thakbe desh er kono unnoyon somvob na karon tara ageo bangladesh caina akhono bangladesh er valo caina……………..