Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অগ্নিপরীক্ষায় আওয়ামী লীগের সাত সাংগঠনিক সম্পাদক

(bdnews/barta24) ঢাকা, ২১ মে: অগ্নিপরীক্ষায় পড়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাত সাংগঠনিক সম্পাদক। কেন্দ্রীয় পদ পাওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো দলীয় সভনেত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা প্রমাণের পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন এই সাত নেতা। যারা তৃণমূলে দল গোছানোতে ভালো ফলাফল এনে দিতে পেরেছেন ও বিভিন্ন সময়ে দেয়া দায়িত্ব যেমন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের সমর্থিত প্রার্থী মনোনয়নে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়ে বিজয় এনেছেন তাদেরকে শেখ হাসিনা আসন্ন কাউন্সিলে নানাভাবে পুরস্কৃত করবেন বলে জানা গেছে।

২০০৯ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে দলের সাত সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নিয়োগ পান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আহম্মদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, আবু সাঈদ আল মাহামুদ স্বপন ও মেজবাউদ্দিন সিরাজ। তাদের মধ্যে বিএম মোজাম্মেল ছাড়া অন্যরা প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পদে এসেছেন। কাউন্সিলের পরপরই সাত বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকা- পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয় এই সাতজনকে।

জাহাঙ্গীর কবীর নানক ঢাকা বিভাগ, আহমদ হোসেন চট্টগ্রাম, মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ সিলেট, বিএম মোজাম্মেল হক খুলনায়, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম বরিশাল, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন রাজশাহী ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে রংপুর বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়।

পৌরসভা নির্বাচনের পর সাংগঠনিক সম্পাদকরা দলে প্রথমবারের মতো অগ্নিপরীক্ষায় পড়েন। তখন সাত সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে বেশ ক’জনের বিরম্নদ্ধে সাংগঠনিক অদক্ষতা, অনেক পৌরসভায় গোপন লেনদেনের মাধ্যমে দলীয় সমর্থন ঘোষণা করার অভিযোগ তোলা হয় কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বলা হয়, অনেক জায়গায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সুপারিশ উপেক্ষা করে সাংগঠনিক সম্পাদকরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন ঘোষণা করেছেন এবং সেগুলোতে পরাজিত হয়েছেন।

তবে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড এসব অভিযোগ আমলে নেয়নি। বরং শেখ হাসিনা নিজেই দল গোছানোর দায়িত্ব নিয়ে বিভিন্ন জেলার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতবিনিময় এখনো চলছে।

এছাড়াও আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সাত সাংগঠনিক সম্পাদককে নিজ নিজ এলাকার সাংগঠনিক অবস্থার রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়। ৬ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বলা হয়, আগামী সভায় সাংগঠনিক সম্পাদকদের তাদের রিপোর্ট উপস্থাপন করতে হবে। তাই সাংগঠনিক সম্পাদকরা অনেকেই ব্যস্ত রিপোর্টের কাজ গোছাতে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসূফ হোসেন হুমায়ূন এ বিষয়ে বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘আসন্ন কাউন্সিলে সাত সাংগঠনিক সম্পাদকের সাফল্য ও ব্যর্থতার মাপকাঠি তুলে ধরা হবে। ইতোমধ্যে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা তাদের এমন ঈঙ্গিতই দিয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদকদের আমলনামা নেত্রীর কাছে রয়েছে। যারা সঠিকভাবে তৃণমূলের কাউন্সিল ছাড়াও দল গোছানোর কাজে দক্ষতা দেখাতে পেরেছেন, তাদের মূল্যায়নের মাধ্যমে আগামী কমিটিতে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত করবেন দলীয় প্রধান।’’

তিনি আরো জানান, গত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে প্রথমবার সাংগঠনিক সম্পাদকদের দক্ষতা প্রমাণিত হয়েছিল। সে সময় অনেকে কাঙ্খিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের প্রেসিডিয়ামের অপর এক সদস্য বলেছেন, আসন্ন কাউন্সিলে সাত সাংগঠনিক সম্পাদকের অগ্নিপরীক্ষা হবে। কারণ সাংগঠনিক সম্পাদকদের বিভাগীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিগুলোর কাউন্সিল সঠিক সময়ে করার কথা ছিল। এছাড়া দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনেও অনেকে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।  সব মিলিয়ে তাদের অনেকেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট