Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশ-ভারত ব্রিজ নির্মাণ চুক্তি সই, ত্রিপুরায় খুশির জোয়ার

আখাউড়া, ১৯মে: ফেনি নদীতে বাংলাদেশ-ভারত ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে নিশ্চিত হয়ে ভারত ত্রিপুরাবাসীর মধ্যে খুশির জোয়ার বইছে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার সুবিধায় বাংলাদেশ- ভারতের বাণিজ্য প্রসার ঘটাতে এই ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে।

শনিবার ত্রিপুরার ‘দৈনিক সংবাদ’ পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

‘ফেনী নদীর উপর ব্রিজ হচ্ছে সাব্রুমের সর্বত্র খুশীর জোয়ার’ শিরোনামে প্রকাশিত পত্রিকাটির প্রতিবেদনে আর বলা হয়েছে, সাব্রুমের ইন্দো বাংলা সীমান্তের পট খুলতেই পুরো এলাকাবাসী আনন্দের জোয়ারে ভাসছে।

রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে আনন্দের হিল্লোল।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, দুই বছর আগে ফেনী নদীর উপরে ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয কূটনৈতিক স্তরে। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়েও আলোচনা হয়।

দু’দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আমলারা সাব্রুমের যে স্থান দিয়ে ফেনী নদীর উপরে ব্রিজ নির্মাণ হবে সে জায়গা দফায় দফায় দেখে যান।

এ নিয়ে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়াররা বিজিবির হাতে বহুবার বাধাগ্রস্ত হয়। ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টিও এক সময় স্থগিত হয়ে যায়। গত ৩ মে ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয় দু’দেশের স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে। ইতিমধ্যে ব্রিজ নির্মাণে প্রাথমিক কাজ চলছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ্য করা হয়, গত ২০১০ সালে দিল্লী-ঢাকার মধ্যে যে শীর্ষ পর্যায়ের প্রধানমন্ত্রী স্তরে আলোচনা হয়, তাতে নীতিগত ভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংহ এবং বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উভয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেন যে, ফেনী নদীর উপরে ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্য বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

তাতে দু’দেশের জনগণ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি কৃষ্টি-সংস্কৃতির র্চচার বিকাশ ঘটবে দু’পারের মানুষের মধ্যে।

শেষ পর্যন্ত দিল্লি-ঢাকার মধ্যে আলোচনা পর ঠিক হয় যে, ফেনি নদীর উপরে ব্রিজ নির্মাণে আর কোনো বাধা থাকছে না। চুক্তির ফলে দু’দেশের অফিসারের বিনা বাধায় উভয় পারে গিয়ে তাদের কাজ করতে পারবে।

ইতিমধ্যে তাদের দুইমাসের ভিসা দেয়া হয়েছে। পরে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে। সাব্রুমের আনন্দপাড়া অথবা নবীনপাড়ার যে কোনো স্থানে এই ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে। নকশা তৈরি করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দফায় দফায় এই দুই স্থানে সার্ভে করে যাচ্ছে।

ত্রিপুরা সাব্রুম থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের দূরত্ব মাত্র ৭৫ কিলোমিটার আর রামগড় হয়ে খাগড়াছড়ির অন্য ফাঁড়ি পথে দূরত্ব মাত্র ৪৫ কিলোমিটার।

এই ব্রিজ হলে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে খুব সহজে যে কোনো পণ্য ভারতে এসে যাবে। এমন কি দিনে দিনে ভারত ত্রিপুরারাজ্যে মাল পৌঁছে যাবে।

ভারতের পরিবহণ খরচ একেবারে নূন্যতম হবে, ফেনী নদীর বাংলাদেশ পারে রয়েছে বিশ্বরোড। ফলে সহজে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করা  যাবে।

সীমান্ত সূত্র উল্লেখ্য করে প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এখানকার রামগড়ে বাংলাদেশ ল্যান্ড কস্টমস অফিস চালু হয়েছে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা চাইছেন চট্টগ্রাম বন্দরের পুরো সুবিধা যেন তারা পায়।

ব্রিজ নির্মাণ হলে সাব্রুম সীমান্ত দিয়ে গড়ে উঠবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ব্যবসা বাণিজ্য, স্বাভাবিক ভাবে দিল্লি-ঢাকার মধ্যে যতবার আলোচনা হয়েছে ততবার সাব্রুম হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সুবিধা পেতে দিল্লি মুখিয়ে ছিল।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সেই সুবিধা ভারতকে দিয়েছে। ব্রিজ নির্মাণে যাবতীয় বাধা দূর হতেই সাব্রুমবাসী আনন্দে আত্মহারা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to বাংলাদেশ-ভারত ব্রিজ নির্মাণ চুক্তি সই, ত্রিপুরায় খুশির জোয়ার

  1. Md.Obaidul QUader

    May 20, 2012 at 2:41 pm

    Implementation of this project properly will be the success of the project.Restrictions of using car for the students should also be seriously considered.