Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মহাসচিব বদল হবে না, খালেদাই দায়িত্ব পালন করবেন

 নতুন করে কাউকে মহাসচিব বা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দিচ্ছে না বিএনপি। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও নির্দেশনাতেই চলবে আন্দোলন। হরতালে গাড়ি পোড়ানোর মামলায় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা এখন কারাগারে। নিম্ন আদালত জামিন না-মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর পর রাজনৈতিক মহলসহ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয় মির্জা আলমগীরের অনুপস্থিতিতে কে পাচ্ছেন দলের মহাসচিব ও মুখপাত্রের দায়িত্ব। সন্ধ্যায় কর্মসূচি ঘোষণায় দলের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনেও এ প্রশ্ন ওঠে। দলের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, গত পরশু রাতে বিএনপি’র একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয় দলের চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে। বৈঠকে কেউ কেউ নিম্ন আদালতে নেতাদের জামিন না হলে দলের পরবর্তী কৌশল কি হবে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। বৈঠকে উপস্থিত দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এ সময় জোর দিয়ে বলেন, পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। কারণ, নিম্ন আদালতে জামিন হবেই। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে গত রাতে বিএনপিসহ জোটের সিনিয়র নেতা ও আইনজীবীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন বিরোধী নেতা খালেদা জিয়া। গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ-আল নোমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আলাদা করে কোন নেতাকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে না। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দলের সবাই কাজ করবে। তিনিই রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নির্দেশনা দেবেন। তিনি আরও বলেন, আজ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে বিএনপি। তবে কি কর্মসূচি ঘোষণা করবে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সরকারের আচরণের ওপর ভিত্তি করে কর্মসূচি আসবে। বৈঠক সূত্র জানায়, আজকের হরতালে দলের এমপিরা সংসদ ভবনের বদলে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই অবস্থান করবেন। অন্য সিনিয়র নেতারা নয়া পল্টন ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন স্পটে হরতালে অংশ নেবেন। নেতাদের সক্রিয়ভাবে রাজপথে থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। মামলার গতি-প্রকৃতি ও সরকারের আচরণ নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে অনেকেই সামনের দিনগুলোতে জটিল পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এমন আলোচনার প্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া নেতাদের রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দেন। বিশেষ করে রাজধানীর পাশাপাশি বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে আন্দোলন চাঙ্গা রাখার পরামর্শ দেন তিনি। বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলীর বেশ কয়েকজন সদস্যসহ জোটের শরিক এলডিপি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. রেদোয়ান আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জামায়াতের এমপি হামিদুর রহমান আজাদ ও বিজেপি চেয়ারম্যান কারাবন্দি ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের ছোট ভাই উপস্থিত ছিলেন। দলের প্রধান নেতারা কারাবন্দি থাকায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনার সুযোগ পেয়েছেন দলটির অনিয়মিত ও পিছিয়ে পড়া নেতারা। ১৮ দলীয় জোটের ৩৩ কেন্দ্রীয় নেতা কারাগারে যাওয়ার পর রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কয়েকজন বাদে সবই ছিল নতুন মুখ। বিএনপি রাজনৈতিক কার্যক্রমে অনেক দিন ধরে অনিয়মিত সাবেক মন্ত্রী ব্যবসায়ী এম মোরশেদ খানকে দেখা গেছে রাতের বৈঠকে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট