Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

যেকোনো সংলাপে রাজি বিএনপি: ফখরুল

ঢাকা, ৯ মে: নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নেয়ার ঘোষণা দিলেই সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসতে বিএনপি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

বুধবার দুপুরে শ্যামলীর আদাবরে ঢাকা হাউজিংয়ে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বাসায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি রিজভী আহমেদের স্ত্রী আরজুমান্দ বানু আইভীর সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজ-খবর নেন।

 

গত ৩০ এপ্রিল রাতে রিজভীকে কাকরাইলের মোড় থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে। তাকে সচিবালয়ে বোমা বিস্ফোরণ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানোর দু’টি মামলায় আসামি করা হয়। বর্তমানে রিজভী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

 

মির্জা আলমগীর বলেন, “আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, নির্দলীয় সরকারের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে যেকোনো স্থানে আলোচনা কিংবা সংলাপ করতে আমরা প্রস্তুত আছি। তবে আগে তাদের (সরকার) নির্দলীয় সরকারের দাবি নীতিগতভাবে মেনে নেয়ার ঘোষণা দিতে হবে। বিএনপি সংঘাত চায় না, সমঝোতা ও সংলাপে বিশ্বাসী।”

 

গ্রেফতার এড়ানোর বিষয়টিকে শতভাগ সঠিক ছিল দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, “গ্রেফতার এড়ানোর কৌশলটি আমাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের কৌশল ছিল। যুগে যুগে রাজনৈতিক নেতারা সরকারের হীন দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি মোকাবিলায় গ্রেফতার এড়ানোর কৌশল নেয়ার অনেক নজির রয়েছে। ভারতের মহাত্মা গান্ধী থেকে শুরু করে শেখ মুজিবুর রহমান পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক নেতারা এভাবে আত্মগোপন করেছেন। তাই একে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

 

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “সরকার গণবিচ্ছিন্ন হয়ে নির্দলীয় সরকারের বিধান সংবিধান থেকে তুলে দিয়ে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বাংলাদেশে এখন জনমত জরিপ চালানো হলে দেখা যাবে শতকারা ৯০ ভাগ মানুষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। তাই সরকার যত কৌশলই করুক, নির্দলীয় সরকার ছাড়া কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।”

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শাহবাগ ও তেজগাঁও থানায় দায়েরকৃত দু’টি মামলাকে (যাতে তিনি নিজেও আসামি) ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিহিত করে বলেন, “৪১ বছরের ইতিহাসে এভাবে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের প্রায় সবাইকে মামলা দিয়ে আসামি করার নজির নেই। মামলা দেয়ার পর আদালতে জামিনের জন্য যেতে বাধা প্রদানের ঘটনাও অতীতে কখনো হয়নি। এ থেকে বুঝা যায়, সরকার কত অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিস্ট মনোভাবের।”

 

তিনি বলেন, “এই মামলা দুটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বানোয়াট মামলা। আমরা এসব মামলা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবেলা করবো।”

 

মির্জা ফখরুল বলেন, “রাজনীতি করলে মামলা হবে- এটা স্বাভাবিক। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারের এহেন আচরণ কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। স্বৈরাচার এরশাদ আমলে গুলিবিদ্ধ রিজভী এমনিতেই অসুস্থ। গ্রেফতারের পর তাকে চারদিন ধরে এক কাপড়ে কারাগারে দিন কাটাতে হয়েছে। তাকে কোনো ডিভিশন দেয়া হয়নি। মেঝেতে ঘুমাতে হচ্ছে।”

 

তিনি অবিলম্বে রুহুল কবির রিজভীর মুক্তি দাবি জানান।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট