Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

যোগাযোগ ও জীবনযাত্রাকে সুন্দর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ মে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ও জীবনযাত্রাকে আমি সুন্দর করতে চাই। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ যাতে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে, সেদিকেই আমরা দৃষ্টি দিতে চাই।”

 

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারত থেকে বিআরটিসির জন্য আনা ৩৩টি নতুন দোতলা বাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান এম এম ইকবালের কাছে প্রধানমন্ত্রী বাসের চাবি হস্তান্তর করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলা হয়, ভারত থেকে আমদানির প্রক্রিয়ায় থাকা ২৯০টি দোতলা বাসের মধ্য হতে ৩৩টি বাস চালু হলো। এগুলো ঢাকার বিভিন্ন রুটে চলবে। বাকি বাসগুলো শিগগিরই বিআরটিসির বহরে যুক্ত হবে।

এছাড়াও ১০০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও ৫০টি আর্টিকুলেটেড বাস ভারত হতে আমদানির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানানো হয়। আগামীতে ৫০০টি ট্রাকও বিআরটিসির বহরে যুক্ত হবে।

 

১০০ কোটি ডলার ঋণের মধ্যে ২০ কোটি ডলার অনুদান হিসেবে গণ্য করায় ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “এই অর্থ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নদীর নাব্য বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হবে।”

তিনি বলেন, “আমাদের দেশে অনেক রাস্তা রয়েছে। এই রাস্তাগুলো মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করতে হবে এবং থেমে থাকা উন্নয়ন কাজগুলো শেষ করতে হবে।”

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাস্তায় যানজটে আটকে গাড়িতে বিত্তশালীরা কষ্ট পায়, এটা নিয়েই অনেকের বেশি দুশ্চিন্তা থাকে। কিন্তু আমার চিন্তা নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের নিয়ে। বিআরটিসিকে তাদের দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।”

 

আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির সফর প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, “প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমরা সুসম্পর্ক ও ভালো যোগাযোগ বজায় রাখতে চাই। আঞ্চলিক যোগাযোগের উন্নতি না হলে অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব নয়। সমস্যা সব জায়গায়ই থাকবে। সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।”

 

বিআরটিসি বন্ধ করতে দাতা সংস্থাদের চাপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “৯৬-এ আমরা সরকার গঠনের পর দাতা সংস্থার পরামর্শ ছিল বিআরটিসি বন্ধ করে দেয়ার। পূর্ববর্তী সরকার চুক্তিই করে ফেলেছিল, বিআরটিসি বন্ধ করে দেবে। আমি বলেছিলাম, বিআরটিসি বন্ধ হবে না। সাধারণ মানুষ কিসে চলবে?”

বিআরটিসির দখল হয়ে যাওয়া জায়গা উদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ভারতের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সঞ্জয় ভট্টাচার্য, সড়ক বিভাগের সচিব এম এন সিদ্দিকী ও বিআরটিসির চেয়ারম্যান এম এম ইকবাল।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট