Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আইনি লড়াই ও রাজপথে আন্দোলন এক সঙ্গে চলবে: ফখরুল

ঢাকা, ৭ মে: বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনও চলবে। সোমবার বিকালে হাই কোর্ট থেকে আপাতত মুক্ত হয়ে সরাসরি নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসার পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সরকার ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা দিয়েছে। হাই কোর্টের রায়ে আমরা আপতাত মুক্তাবস্থায় আছি। মামলার বিষয়ে আমাদের আইনি লড়াই চলবে। একই সঙ্গে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথের আন্দোলনও চলতে থাকবে।”

 

হাই কোর্ট থেকে বেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চারটা ৫০ মিনিটে নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এরপর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, মহানগর সদস্য সচিব আবদুস সালাম, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ নেতারা এসে পৌঁছালে তাদেরও ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় দলীয় নেতাকর্মীরা।

 

এক সপ্তাহ ‘আত্মগোপনে’ থাকার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাদেক হোসেন খোকাসহ বিএনপির সিনিয়র নেতারা সোমবার দুপুরে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও  মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের বেঞ্চে জামিনের আবেদন নিয়ে হাজির হন।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘‘সরকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পুরনো একদলীয় শাসনের কায়দায় বিরোধী দলের ওপর নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। এভাবে দমননীতির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রোখা যাবে না।’’

 

শাহবাগ ও তেজগাঁও থানায় হরতালকে নিয়ে দায়েরকৃত দুইটি মামলাকে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিহিত করে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘‘গত দুটি হরতাল রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে সরকার দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। উদ্দেশ্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেয়া।’’

 

এই দুই মামলায় গ্রেফতারকৃত দলের নেতা রম্নহুল কবির রিজভী, কামরুজ্জামান রতন, মহিলা দলের রেহানা আখতার ডলিসহ নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের নিন্দা জানান তিনি।

 

ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘‘সরকার নিখোঁজ ইলিয়াস আলীকে এখনো তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকারের ২৭ মাসে ৯৭ জনকে গুম করা হয়েছে।’’

 

হরতাল পরবর্তী পরিস্থিতিতে দলকে সংগঠিত রাখার জন্য দেশবাসী ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।

 

সচিবালয়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় শাহবাগ ও তেজগাঁও থানার মামলায় জামিন আবেদনের শুনানি শেষে দুই বিচারক দুই রকম আদেশ দেন।

 

সিনিয়র বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী পুলিশ প্রতিবেদন হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের জামিনের আদেশ দেন। কিন্তু বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার আবেদনকারীদের সাত দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করতে বলেন। বিএনপি নেতাদের জামিন আবেদনে বিভক্ত আদেশ দেন হাই কোর্ট। তবে হয়রানি না করার নির্দেশ দেয়ায় ‘আপাতত’ সময় পান তারা।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ের সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আবদুল মান্নান, যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, মিজানুর রহমান মিনু, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট