Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিদেশী পত্রিকার রিপোর্ট: সরকারকে হিলারির হুঁশিয়ারি, গ্রামীণ ব্যাংকে হস্তক্ষেপ করবেন না

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন স্পষ্ট ভাষায় বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করে দিলেন। বললেন, ক্ষুদ্রঋণ দাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকে হস্তক্ষেপ করবেন না। দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিতে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার এটি একটি মূল চালিকাশক্তি। এ সময় তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি প্রকাশ্যেই সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইংরেজিতে ‘ট্রিমেনডাস মডেল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। হিলারি বলেন, আমি ওয়াশিংটনে বসেই গ্রামীণ ব্যাংকের বিতর্কের বিষয়টিতে লক্ষ্য রেখেছি। আমি আশা করি, এমন কিছু করা হবে না যাতে গ্রামীণ ব্যাংক যা অর্জন করেছে তাকে খাটো করা হয়। গতকাল ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের সঙ্গে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে সকালের চা-চক্রে মিলিত হন হিলারি ক্লিনটন। এ নিয়ে গতকালই বিশ্বের মিডিয়া ফলাও করে রিপোর্ট প্রকাশ করে। এর মধ্যে রয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, এএফপি, অনলাইন বিবিসি, আল জাজিরা, দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রভৃতি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল লিখেছে- শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে দেশে ও বিদেশে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে তার কর্তৃত্ববাদী নীতির কারণে। এর মধ্যে রয়েছে বেসরকারি পর্যায়ের কর্মীদের ও সাংবাদিকদের হয়রানি। গত বছর শ্রমিকদের প্রতিবাদে অংশ নেয়ার কারণে শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার একটি এপার্টমেন্টে সাংবাদিক দম্পতি খুন হওয়ার পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। এতে ফুটে উঠেছে দেশে আইন-কানুন নেই। দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য ড. ইউনূসকে ‘ট্রিমেনডাস মডেল’ বা অসাধারণ এক মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেন হিলারি। এতে আরও বলা হয়, হিলারি ক্লিনটন বাংলাদেশ সরকারকে গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করতে সতর্ক করেছেন। তিনি ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, তারা বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে ও এতদিন যা অর্জিত হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রায় তিন দশক আগে ড. ইউনূস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রামীণ ব্যাংক। সেখান থেকে গত বছর তার পদত্যাগের প্রায় এক বছর পরে এই দু’নেতার মধ্যে বৈঠক হলো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে- গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করেছেন হিলারি ক্লিনটন। তিনি এ ব্যাংকের প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি মুহাম্মদ ইউনূসকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। তিনি যে কাজ করেছেন তার প্রতি আমার সম্মান আছে। আমি আশা করি, কোন বাধা অথবা সরকারের কোন রকম কর্মকাণ্ডের কারণে তার কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে না। এমনটা যদি করা হয় তাহলে তা হবে দুর্ভাগ্যজনক। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইউনূসের সমর্থকরা বিশ্বাস করেন তাকে রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কারণ, তিনি তার শাসনকে ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এখন বাংলাদেশের দিকে নিবিড় দৃষ্টি রেখেছেন। তারা দেখছেন ড. ইউনূসের পদের উত্তরসূরি কিভাবে নির্বাচিত করে বাংলাদেশ। এ প্রক্রিয়া অবশ্যই পরিষ্কার ও স্বচ্ছ হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র জোর দিয়েছে। অনলাইন বিবিসি লিখেছে- ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্যে সমর্থন ব্যক্ত করলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের স্বাধীনতায় যাতে হস্তক্ষেপ করা না হয় এ ব্যাপারেও বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করেছেন। এতে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন। এ প্রতিষ্ঠান দরিদ্রদের বিশেষ করে নারীদের তাদের নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনার জন্য অর্থঋণ দিয়ে সহায়তা করে থাকে। কিন্তু গত বছর তাকে ওই ব্যাংকের প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। সরকার বলেছে, তিনি চাকরির সর্বোচ্চ বয়সসীমা অতিক্রম করেছেন। এ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছেন তিনি। এএফপি লিখেছে- হিলারি ক্লিনটন ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর গতকাল তিনি চা-চক্রে আমন্ত্রণ জানান ড. ইউনূসকে। এতে উপস্থিত হয়েছিলেন ড. ইউনূস ও ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ। তারপর তারা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এরপর হিলারি ক্লিনটন তাদের দু’জনের কথা উল্লেখ করে বলেন- এই দু’জন হলেন বিশ্বে আমার প্রিয় মানুষ। একই রকম রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আল জাজিরা। ইউনূস ও আবেদের সঙ্গে বৈঠক: ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ফজলে হাসান আবেদ ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তাদের বৈঠকে গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের পরিবর্তন, সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারসহ বিভিন্ন ইস্যু স্থান পায় বলে জানা গেছে। বৈঠক শেষে ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন হিলারি। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার গুলশানের বাসভবনে এ বৈঠক শুরু হয়। শেষ হয় সোয়া ১০টার পর। বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ফজলে হাসান আবেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়েছে জানিয়ে আবেদ বলেন, কী করলে আমাদের উন্নয়ন হবে, নারীর ক্ষমতায়ন হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনার মূল কেন্দ্র ছিল বাংলাদেশের উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন। ড. মুহম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদের সম্ভাবনা ও অর্জনগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রায় ১৭ বছর আগে (১৯৯৫ সালে) প্রথম বাংলাদেশে এসেছিলেন হিলারি ক্লিনটন। সে সময় তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন জানিয়ে ইউনূস বলেন, এখন তাদের সন্তানরা বড় হয়েছে, নতুন প্রজন্ম, হিলারি যদি সময় নিয়ে এসে আমাদের গ্রামে যেতে পারতেন, নতুন প্রজন্মর সঙ্গে কথা বলতেন, আমরা আরও খুশি হতাম। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের পক্ষে যুক্তি দেখিয়েছেন জানিয়ে ইউনূস বলেন, এটা হলে নারীর ক্ষমতায়ন হবে, বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে। আমরা তাকে বিষয়টি বুঝিয়েছি। হিলারির সঙ্গে বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংক প্রসঙ্গ এসেছে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন প্রথমে এড়িয়ে যান ড. ইউনূস। পরে তিনি বলেন, মাইক্রো ক্রেডিট নিয়ে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত না আসাই ভাল বলে মন্তব্য করেন তিনি। দেশের বিদ্যুৎ সঙ্কটের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে জানিয়ে ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ-নেপাল-মিয়ানমার মিলে একটি ‘এনার্জি নেটওয়ার্ক’ করা হলে তা একটি বড় ব্যাপার হবে। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফজলে হাসান আবেদ বলেন, বাংলাদেশী পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে বলে তিনি আশাবাদী। ১৯৭২ সালে ফজলে হাসান আবেদের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি (ব্র্যাক)এর কার্যক্রম অনেক আগেই দেশের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। বর্তমানে ব্র্যাক আফ্রিকার দক্ষিণ সুদান থেকে দক্ষিণ আমেরিকার হাইতি পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ক্ষুদ্রঋণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দু’নেত্রীকে একসঙ্গে কাজ করতে বলেছি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে একসঙ্গে কাজ করার তাগিদ জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, তাদের সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে আমার মিটিং হয়েছে। আমি দু’জনকেই একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেছি। নির্বাচনের মেকানিজম খুঁজে বের করতে তাদের একসঙ্গে কাজ করা উচিত। আমি আশা করি, তারা তাই করবেন। গতকাল দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশের তরুণ নেতা ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে এক তরুণের প্রশ্নের জবাবে হিলারি বলেন, আমার সব মিটিংয়ে বিষয়টি এসেছে। সফরের প্রথমদিনের সংবাদ সম্মেলনেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। রাজনৈতিক পরিস্থিতির উত্তরণ এবং আগামী নির্বাচনের জন্য সব দলের প্রতি আবারও সংলাপের আহ্বান জানাই। গণতন্ত্রের স্বার্থে সকল পক্ষকে পারস্পরিক সংলাপে বসা উচিত। আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর তাগিদ: বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুণদের অনুষ্ঠানে হিলারি ক্লিনটন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ এ অঞ্চলে নেতৃত্ব দিতে পারে। বিশেষ করে আঞ্চলিক যোগাযোগ। বাংলাদেশকে ভারত, মিয়ানমার, নেপালসহ অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। ইউরোপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অনেক দিন তাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি থাকলেও এখন তারা এক এবং অনেক সমৃদ্ধ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর পরস্পরের মধ্যে আস্থার সঙ্কট রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তা দূর করতে আলোচনার কোন বিকল্প নেই। এ সময় পানি সম্পদের ব্যবহারে ভারত, নেপাল এবং অন্যদের সঙ্গে আলোচনার উপর জোর দেন হিলারি। বাংলাদেশের অনেক অর্জনের মধ্যে ‘দুর্নীতি’ একটি বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা দূর করতে হবে। তা না হলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না। সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক এবং মুক্ত গণমাধ্যমের কারণে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে উল্লেখ করে হিলারি ক্লিনটন বলেন, রাজনীতিবিদদের আচরণেও অনেক পরিবর্তন এসেছে, এখন যে কেউ হাতে থাকা মোবাইল ফোনে ঘুষ গ্রহণের চিত্র তুলে ফেসবুক কিংবা টুইটারে পোস্ট করে দিতে পারে। চোখে আঙুল দিয়ে ‘দুর্নীতি’ দেখিয়ে দিতে পারে। বদলে যাওয়া বাংলাদেশে এমভিজি অর্জনের পথে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার হ্র্রাস ইত্যাদি কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদও জানান। নিজের বেড়ে উঠার গল্প বললেন হিলারি: তরুণদের সঙ্গে আড্ডায় হিলারির কাছে প্রশ্ন ছিল নারী হওয়ার পরও তিনি কিভাবে এতদূর এলেন? জবাবে তিনি শৈশবের স্মৃতিচারণ করেন। স্মরণ করেন মায়ের অবদানকে। বলেন, ছেলেমেয়ের পার্থক্য করতেন না। সুযোগ সুবিধা সবই পেয়েছি তার কাছ থেকে। তারপর পড়ালেখা করেছি। নারীদের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি অবহিত জানিয়ে বলেন- প্রতিবন্ধকতা থাকবেই, তবুও এগিয়ে যেতে হবে, পড়াশোনাকে সবার ওপরে রাখতে হবে। এটি একজন নারীর জীবন পাল্টে দিতে পারে বলে মত দেন তিনি। সাংবাদিক মুন্নী সাহার উপস্থাপনায় বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডার সেন্টারের সভাপতি এজাজ আহমেদসহ সংগঠনের সদস্যরা আড্ডায় অংশ নেন। কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ: দু’দিন ঢাকায় ব্যস্ত সময় কাটিয়ে কলকাতা গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। গতকাল দুপুর ১টার আগে তার বিশেষ বিমানে চড়ে তিনি কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট