Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সবচেয়ে কঠিন সফর বাংলাদেশ

 ইয়ন মরগানের ব্যাটিং নজরে আসে আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলাকালেই। পরে নাগরিকত্ব বদলে এ আইরিশ নাম লেখান ইংল্যান্ড দলে। বিশ্ব ক্রিকেটে তার পছন্দের ব্যাটসম্যান ক্যারিবীয় গ্রেট ব্রায়ান লারা। শৈশবে লারার ব্যাটিং পুলক জাগাতো মরগানের মনে। বিশেষ করে লারার দর্শনীয় পুল ও ক্রিজ ছেড়ে এসে বোলারের মাথার উপর দিয়ে হাঁকানো বাউন্ডারিগুলো। সমপ্রতি এক সাক্ষাতকারে এসব বলেছেন ইয়ন মরগান। জানিয়েছেন মজাদার আরও অনেক তথ্য। মানবজমিন পাঠকের সামনে সেসব তুলে ধরা হলো:
প্রথম ব্যবহার করা ব্যাট
ব্রায়ান লারা আমার ‘আইডল’। আমার ব্যবহার করা প্রথম ব্যাটটিতেও নাম জড়ানো ছিল তার। সেটি ছিল গ্যারি-নিকোলাস স্কুপের ব্রায়ান লারা-২০০০ সংস্করণের একটি। এই মুহূর্তে আমি খেলছি স্ল্যাজেঙ্গার ভি-৩৬০ ব্যাট দিয়ে। আমার ব্যাগে এর পাঁচ ছয়টি রাখি সবসময়।
প্রথম শোনা স্লেজিং
জীবনের প্রথম ফাইনালে ব্যাট করছিলাম মিডলসেক্সের হয়ে। ব্যাটিং প্রান্তে সতীর্থ পল উইকস। প্রথম স্লিপে ফিল্ডিং দিচ্ছিলেন অসি তারকা স্টুয়ার্ট ল’। ব্যাটের আলতো কোনায় ক্যাচ দেন উইকস। কিন্তু তা নজর এড়িয়ে গেলে আউট দেননি আম্পায়ার। আমি আমার ক্রিজ ছেড়ে উইকসের কাছাকাছি পৌঁছাই। ততক্ষণে উইকসের কাছে গিয়ে স্টুয়ার্ট ল কে বলতে শুনি- ‘তোমার হাঁটা দেয়া উচিৎ ছিল’। উইকসের উত্তর- ‘আমিতো আনুকূল্য চাইনি’। ল’ তখন বলেন-তুমিও চাইবে, বল করতে আসো।
প্রথম বাজে আম্পারিংয়ের শিকার
আমার বাবা দেন আউটের সিদ্ধান্তটি। এলবিডব্লিউ, কিন্তু আমি ব্যাটে খেলেছিলাম। তখন অনূর্ধ্ব-১০ দলে খেলি। আমি এতে যথেষ্টই চটে ছিলাম বাবার ওপর। আর মনে মনে এ রাগ ছিল সম্ভবত কয়েক সপ্তাহ।
উল্টো-সুইপে প্রথম হাঁকানো ছক্কা
বেশ আগের কথা। অ্যাসেক্সের হয়ে এক টি-২০ ম্যাচে স্পিন বোলিংয়ে রিভার্স সুইপে ছক্কা হাঁকিয়েছিলাম। তবে এমন চেষ্টা আর কখনোই করিনি। এমনকি নেটেও।
প্রথম অটোগ্রাফ
৯৯’র বিশ্বকাপে ডাবলিনে খেলা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেশ লম্বা এক ফাস্ট বোলারের অটোগ্রাফ পেয়ে কি যে উচ্ছ্বসিত ছিলাম আমি!
ধৈর্যের প্রশ্নে
আমার ধৈর্য আছে ঠিকই। নইলে ভারতে থাকা সম্ভব হতো না। ভারতে আপনার ধৈর্যের পরীক্ষাটা হয়ে যায় এমনিতেই।
সবচেয়ে কঠিন সফর
বাংলাদেশ। আমার সফর করা দেশগুলির মধ্যে এ দেশটি একেবারেই আলাদা সংস্কৃতির । মানিয়ে নিতে সময় লেগেছিল স্বাভাবিক কারণেই।
দিন, রাত এবং ঘুম
দিনে এগারো-বারোটা পর্যন্ত ঘুমাই আমি। তারপরও উঠতে কষ্ট হয়। রাত জাগাটা আমার পছন্দ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট