Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘টেস্ট বোলারের অপবাদ ঘোচাতে চাই’

ইশতিয়াক পারভেজ: বাংলাদেশ ক্রিকেটে এনামুল হক মনি’র অনুসরণে স্পিন জাদু দেখাতে শুরু করেন সিলেটের এনামুল হক জুনিয়র। ওয়ানডের আগে ২০০৩ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সেই তার টেস্ট অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকার মাটিতে। তারপর থেকে তার নামের পাশে যুক্ত হয়ে যায় টেস্ট বোলার শব্দ। ২০০৫ সালে তার অভিষেক হয় এই ঢাকাতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। কিন্তু দলে তার আসা-যাওয়াটা তিনি আর নিয়মিত করতে পারেননি। শেষ টেস্ট ও ওয়ানডে খেলেন ২০০৯ সালে। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক জাতীয় দলের হয়ে ১৪টি টেস্টে নিয়েছেন ৪১টি উইকেট। আর ওয়ানডেতে ১০ ম্যাচে নিয়েছেন ১৪টি উইকেট। এখন তার বয়স ২৫। প্রায় তিন বছর আগে তার গায়ে উঠেছিল জাতীয় দলের জার্সি। তবে এখন তিনি প্রস্তুত। নিজেকে আর টেস্ট বোলার হিসেবে দেখতে চান না তিনি। ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস’র হয়ে ১৩ ম্যাচে নিয়েছেন ২০টি উইকেট ও ৬ ম্যাচে করেছেন ৮ রান। অন্যদিকে বিপিএল-এ টি-২০তে চিটাগাং কিংসের হয়ে নিয়েছেন ৯ ম্যাচে ১৩টি উইকেট। অন্যদিকে জাতীয় লীগে ১০ ম্যাচে ৫৯টি উইকেট নিয়ে আছেন বোলারদের শীর্ষে। তাই তার বিশ্বাস এখন তিনি সব ফরমেটের জন্য প্রস্তুত। নিজের এগিয়ে যাওয়া আর আক্ষেপ নিয়ে তিনি কথা বলেছেন মানবজমিন-এর সঙ্গে। তার কথার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: আপনি জাতীয় লীগের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। কিন্তু দল ফাইনালে খেলতে না পারায় অনুভূতি কি ছিল?
এনামুল জুনিয়র: আসলে নিজের ভাল কিছুর সঙ্গে দলের প্রাপ্তিটা ভাল না হলে কষ্ট লাগে। আমি চেয়েছিলাম সিলেট অনেক দূর যাক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই করেছি, এটাই এখন সান্ত্ব্তনা। আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। আশা করি আরও ভাল করতে পারবো।
প্রশ্ন: জাতীয় দলে ইদানিং আপনার সুযোগ হয় না-কি বলবেন?
এনামুল জুনিয়র: আমার সব সময় চেষ্টা থাকে ভাল করার। কিন্তু কেন যে আমি জাতীয় দলে অনিয়মিত তা বুঝতে পারি না। হয়তো নির্বাচকদের একটা চিন্তা আছে আমাকে নিয়ে। একদিন নিশ্চয়ই ডাক পাবো।
প্রশ্ন: আপনাকে টেস্ট বোলার হিসেবেই বিবেচনা করা হয় কেন?
এনামুল জুনিয়র: আসলে এটা ঠিক না। আমি এবার প্রমাণ করেছি আমি তিন ফরমেটেই খেলতে পারি। কারণ বিপিএল টি-২০, ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের একদিনের ম্যাচ ও জাতীয় লীগের ৪ দিনের ম্যাচে আমি ভাল করেছি। নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছি। আশা করি এবার আমার এই অপবাদ ঘুচবে।
প্রশ্ন: এখন সামনে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক তেমন কোন ম্যাচ নেই। তো এই অবসর সময়টা কিভাবে কাটাবেন?
এনামুল জুনিয়র: আসলে একজন প্রফেশনাল ক্রিকেটারের  জন্য এটা খুবই কষ্টের বিষয়। আমাদের বেশ কয়েকটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট হয়েছে। এখন প্রিমিয়ার লীগটা শেষ হলে অন্তত একটু শান্তি পেতাম। আমি বিসিবিকে অনুরোধ করবো যেন তারা আমাদের খেলার মধ্যে রাখার ব্যবস্থা করে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আসর যেন আরও বাড়ে। এতে করে আমাদের মান উন্নয়নে অনেক সুযোগ হবে। আমরা আমাদের খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবো।
প্রশ্ন: সিলেটের ছেলে হিসেবে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে আপনার ভাবনা কি?
এনামুল জুনিয়র: আসলে সিলেটে আমাদের খেলার সুযোগ-সুবিধা কম। আমি আশা করবো সিলেটে যারা ক্রীড়া কর্মকর্তা আছেন তারা খেলোয়াড়দের নিয়ে বেশি করে ভাববেন। তারা যদি এগিয়ে আসেন তাহলেই আমাদের খেলার  ও নিজেদের এগিয়ে নেয়ার সুযোগ হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট