Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আদালত যেন সরকারের যুদ্ধক্ষেত্র: মওদুদ

ঢাকা, ২ মে: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, “সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় প্রত্যেক গেটসহ চর্তুদিকে পুলিশ, র‌্যাব ও সাদা পোশাকধারী দিয়ে যেভাবে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে তাতে মনে হয় সুপ্রিম কোর্ট সরকারের যুদ্ধক্ষেত্র আমাদের নেতারা জামিন নিতে আসতে পারছে না। জামিন নেয়ার জন্য আদালতে ঢোকার সময় তারা গ্রেফতারের আশঙ্কা করছেন।”

 

হাই কোর্টে বিএনপি জাময়াতসহ সমমনা দলের শীর্ষ নেতাদের জামিন আবেদন দুটি ফেরত দেয়ার পর সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির তৃতীয় তলার প্রেস কনফারেন্স কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ এ কথা বলেন।

 

মওদুদ বলেন, “ফৌজধারী মামলার অভিযুক্তদের আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে এসে আগাম জামিন নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে সরকার আমাদের নেতাদের আদালতে এসে জামিন চাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।”

 

এ সময় তিনি বলেন, “আগেতো আমাদের নেতাদের আদালতে হাজির করেতে হবে। হাজির না হলে কিভাবে আমরা অন্য বেঞ্চে জামিন আবেদন করবো।”

 

বুধবার সকালে হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ  ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি একএম সাহিদুল হকের বেঞ্চে গেলে শুনানি না করে ফেরত দেয় এবং একজন বিচারপতি বিব্রতবোধ করেন। পরে মওদুদ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন।

 

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বিচারপতি টিএইচ খান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহাবুব হোসেন, সাবেক স্পিকার সিনিয়র আইনজীবী বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদোজ্জা বাদল।

 

এর  আগে গত ৩০ এপ্রিল হাই কোর্ট বিভাগে একটি স্পেশাল বেঞ্চ বসানোর আবেদন নাকোচ করেছেন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাজাম্মেল হোসেন। ওইদিন প্রধান বিচারপতি  আমাদেরকে জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাই কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে যেতে বলেছেন।

 

সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁও ও শাহাবাগ দুটি থানায়  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, জাময়াত ইসলামী, সেচ্ছাসেবকদল, যুবদল, ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের বিরুদ্ধে পৃথক  দুটি মামলা করা হয়। এ দুটি মামলায় সব আসামির পক্ষে জামিন আবেদন করে বুধবার সকালে শুনানি করতে না পেরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট