Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান ইলিয়াসের স্ত্রী

 

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল: যেকোনো মূল্যে ইলিয়াস আলীকে ফিরে পেতে চান তার স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি মিনতি করে বলছি, দয়া করে আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য একটু সময় ও সুযোগ দিন। যেকোনো মূল্যে ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করে দিন। তাহলে আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। দেশবাসীও স্বস্তি পাবে।”

 

সোমবার বনানীর নিজ বাসা (সিলেট হাউজে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আবেদন জানান। এ সময় ইলিয়াসের দুই ছেলে ও একমাত্র শিশু কন্যা উপস্থিত ছিলেন।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পÿ থেকে ইলিয়াস আলীকে সন্ধানে আগের মতো আন্তরিকতা দেখাচ্ছে না। গত তিনদিন ধরে তারা কোনো খোঁজ-খবর নেয়নি।”

 

লুনা বলেন, “আমার স্বামী ইলিয়াস আলী ১৩ দিন ধরে নিখোঁজ। তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন কিছুই জানি না। আমার সন্তানরা প্রশ্ন করে আব্বু কোথায়, কখন আসবে। আমি কোনো জবাব দিতে পারি না, কোনো জবাব আমার জানা নেই।”

 

তিনি বলেন, “ইলিয়াস আলীকে কারা নিয়ে গেছে আমরা জানি না। যেখানেই থাকুক, যারাই ধরে নিয়ে থাকুক, আমরা শুধু তাকে যেকোনো মূল্যে ফিরে পেতে চাই।”

 

লুনা বলেন, “ইলিয়াস আলীর বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে সরকার আইনগত যেকোনো ব্যবস্থা নিতে পারে। তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। যদি কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয় তাহলে আমাদের জানানো হোক, তিনি জীবিত আছেন। তিনি কোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে আছেন।”

 

তাহসিনা রুশদীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “তিনি স্বজন হারানোর বেদনা বোঝেন। সুযোগ পেলে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেখা করে ইলিয়াসকে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করবো। প্রধানমন্ত্রী তাকে উদ্ধার করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিলে আমরা চিরজীবন তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।”

 

তিনি বলেন, “সংবাদপত্রে ইলিয়াস আলীকে মুক্তির ব্যাপারে বিভিন্ন শর্তের কথা জেনেছি। যদি সে রকম কোনো শর্ত থেকে থাকে, তাহলে যেকোনো শর্তে তাকে ফিরে পেতে চাই। সম্পদ, ÿমতা কিছুই চাই না।”

 

ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তার পরিবারের অবস্থা তুলে ধরে বলেন, “আমরা এখন চরম অনিশ্চতার মধ্যে বাস করছি। আমার সন্তানদের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। বড় ছেলে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে, ছোট ছেলে স্কুলে যায়, আর একমাত্র শিশু কন্যাকে স্কুলে পাঠাতে সাহস হয় না। সন্তানদের নিয়ে আমি চরম আতঙ্কে রয়েছি।”

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট