Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অচিরেই জীবিত ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করা হবে: সৈয়দ আশরাফ

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল: সরকার জীবিত ইলিয়াস আলীকে উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ জানিয়ে বলেন, ‘‘অচিরেই জীবিত ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করা হবে।’’

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, সরকার ইলিয়াস আলীকে জীবিত উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করছে। এর জন্য তিনি বিরোধী দল এবং গণমাধ্যমের কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। সরকারের তৎপরতার কথা জানিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করতে আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। তাকে উদ্ধার করা সরকারের দায়িত্ব। আমরা আমাদের দায়িত্বের কথা ভুলে যায়নি।’’

 

বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলীকে খুজে পেতে সরকারের আমত্মরিকতার কোনো ঘাটতি নাই।’’

 

তিনি বিরোধী দল বিএনপির প্রতি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘আমরা আশা করেছিলাম বিএনপি আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে। কিন্তু আমরা বিএনপি এবং বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছ থেকে কোনো তথ্য আমরা পাইনি।’’

 

তিনি বলেন, ‘‘এটা নিয়ে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নাই। আমরা আশা করেছিলাম বিএনপি ইলিয়াস আলীর তথ্য দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করবে। কিন্তু এটা দুঃখজনক যে ইলিয়াস আলীকে নিয়ে মুখরোচক কাহিনী রচনা ছাড়া তেমন কোনো সহযোগিতা তারা করতে পারেনি।’’
ইলিয়াস আলীকে খুঁজতে তার স্ত্রীই একমাত্র সহযোগিতা করছেন উল্লেখ করে সৈয়দ আশরাফ বলেন,‘‘২১ এপ্রিল ইলিয়াসের স্ত্রী তার স্বামীর জীবিত অবস্থানের খবর জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন করেন। তিনি সেসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে র‌্যাবের সহযোগিতা চান।’’

 

তিনি বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলীর স্ত্রীর অনুরোধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী র‌্যাবকে গাজীপুর যেতে নির্দেশ দেন।’’

 

সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘‘কিন্তু সেদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার পর র‌্যাবের সঙ্গে গাজীপুর যাওয়ার কথা অস্বীকার করেন ইলিয়াস আলীর স্ত্রী।”

 

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলীর স্ত্রী কেন অস্বীকার করছেন? এমন কি ঘটনা ঘটেছে যার জন্য তিনি সত্যকে আড়াল করছেন? তার রহস্যটা কি?’’

 

বিএনপির ডাকা হরতালের সমালোচনা করে তিনি লেন,‘‘বিএনপির মূল উদ্দেশ্য যদি থাকে ইলিয়াসকে তাকে উদ্ধার করতে হবে-তাহলে যে সহযোগিতা করার কথা ছিল তারা সেটা না করে উল্টো হরতাল ডাকলো।’’

 

তিনি তিনদিনে হরতারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলে ধরে বলেন, ‘‘একজন নিখোঁজের জন্য যে চারজনকে হত্যা করা হলো তারা কি ইলিয়াস আলী নিখোঁজের জন্য দায়ী। সারা বাংলাদেশের মানুষ কি ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের জন্য দায়ী? এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা কি দায়ী? ব্যবসায়ীরা কি দায়ী?’’

 

সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘‘হরতাল, ভাঙচুর, বাসে অগ্নিসংযোগ করে কি ইলিয়াস আলীকে জীবিত ফেরত পাওয়া সম্ভব?’’

 

তিনি বলেন, ‘‘কেন ইলিয়াস আলীর স্ত্রীকে ভিকটিম করা হলো? তাকে কেন মিথ্যার আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হলো?’’

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করেন,‘‘এটা কি রাজনীতির রাজনীতি খেলা? আমরা তো এটা চাইনি। প্রধানমন্ত্রী নিজে তারা বাসায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ডেকে এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।’’

 

সৈয়দ আশরাফ বিরোধী দলের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, ‘‘বিরোধী দল আর হরতাল দিয়ে দেশকে জিম্মি করবেন না। দেশের মানুষ নিখোঁজের সাথে সম্পৃক্ত নয়। তাদের হয়রানির হাত থেকে মুক্তি দিন। ’’

 

তিনি বলেন, ‘‘সরকারকে সহযোগিতা করুন যাতে করে ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করা যায়।’’

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘তাদের উদ্দেশ্য যদি ভিন্ন হয় তাহলে ইলিয়াসকে পুঁজি করে রাজনৈতিক গোল করার চেষ্টা থাকলে সেটা ভিন্ন কথা।’’

 

সংবাদ সম্মেরনের শুরুতে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলী এদেশের একজন নাগরিক। তিনি সন্তানের পিতা। কোনো একজনের স্বামী। আমরা তার বিষয়টি ফিল করি। স্বজন যদি নিখোঁজ হয় তাহরে তার পরিবারের কি অবস্থা হয় আমরা সেটা অনুভব করতে পারি।’’

 

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, দফতর সম্পাদক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মান্নান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধরী, বি এম মোজাম্মেল, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাসিম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to অচিরেই জীবিত ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করা হবে: সৈয়দ আশরাফ

  1. Mr. Kamal Hyder

    April 26, 2012 at 12:02 pm

    ভারতীয় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ১০০ ক্যাডারকে খুবই গোপনীয়তার সঙ্গে ছয়মাস মেয়াদি কমান্ডো ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে শ্রীলঙ্কা গার্ডিয়ান।
    প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, গত জুন থেকে দেরাদুনের ট্রেনিং নেওয়া এসব (ছাত্রলীগ বা যুবলীগ) ক্যাডারদের গুপ্তহত্যা ও অপহরণের কৌশল শেখানো হয়েছে।
    ‘ক্রুসেডার-১০০’ ছদ্ম নামে পরিচিত এসব ক্যাডার রাজনীতিবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের হত্যা ও গুম করার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এসব ক্যাডার ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে থেকে ২০১০ সালের জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভারতের সেনাবাহিনীর কমান্ডো প্রশিক্ষণ নেয়। বিস্তৃত পরিসরে আওয়ামী ক্যাডারদের দেওয়া এ প্রশিক্ষণটিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু তরুণ সদস্যকে’ দেওয়া কমান্ডো ট্রেনিং হিসেবে চালিয়ে দেয়।
    ক্রুসেডার-১০০ নামের পুরো প্রকল্পটি ‘র’ এর পরিকল্পনার ফসল এবং বাংলাদেশ সরকারের অতি উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নীতি নির্ধারকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে।
    ভারতের ‘র’ ও যুক্তরাজ্যের এম আই-৬ এর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষাকারী অবসরপ্রাপ্ত এক উচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা পুরো প্রকল্পটি দেখভাল করছেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতৃস্থানীয় পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কই এসব যোগাযোগ রক্ষা করতে তাকে সাহায্য করেছে।
    ক্রুসেডার-১০০ এর পুরো দলটি ছাত্রলীগ-যুবলীগ থেকে নেওয়া হয়। দলটি ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ও তার বিশ্বস্ত কিছু সহকর্মীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষিত হয়। প্রশিক্ষণ শেষে ফিরে আসার পর আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ রাজনীতিবিদ, মিডিয়া কর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের একটি তালিকা দেওয়া হয়।
    প্রাপ্ত তথ্যমতে, এ তালিকায় ৮৩ ব্যক্তির নাম রয়েছে, যাদের ক্রুসেডার-১০০ ‘সাফ’ করবে। বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ১০০ ক্রুসেডারকে ঢাকার গুলশান ও বারিধারা এলাকার কিছু ভবনে রাখা হয়েছে।
    বারিধারার ক্রুসেডাররা সেই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণাধীন ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। এসব ঘাঁটি স্পর্শকাতর যন্ত্রপাতি ও নজরদারির নানা সাজ সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত। সেখানে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই।
    বিএনপির সদ্য নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর নামও ক্রুসেডার-১০০ এর তালিকায় ছিল।
    শ্রীলঙ্কা গার্ডিয়ানের নয়াদিল্লি সূত্র আরও কিছু নাম জানিয়েছে। এর মধ্যে আমান উল্লাহ আমান, মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হাবিবুন নবী সোহেল, আব্দুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, সাইফুল আলম প্রধান, আসম আব্দুর রব, মুফতি ফজলুল হক আমিনী ও মাওলানা ফজলুল করিম।
    আওয়ামী লীগ ও ‘র’ এসব লোককে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে খতম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব ব্যক্তির অস্তিত্ব আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    ক্রুসেডার-১০০ স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার সাইলেন্সর যুক্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট,গ্যাস বোমা ও যানবাহনে সজ্জিত। দেশের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য এদের অনেকেই স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করে থাকে। এদের প্রত্যেক সদস্য নানা রকম সুবিধাসহ উচ্চ পারিতোষিক লাভ করে থাকে। সেই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদের ঢাকায় ফ্যাট দেওয়া হয়। এদের দিনের বেলায় প্রকাশ্যে আসতে অনুমতি দেওয়া হয় না এবং সাধারণত নিজ নিজ ঘাঁটিতেই রাখা হয়।
    জরুরি অবস্থা তৈরি হলে বা রাস্তায় নেমে আসা প্রয়োজন হলে তাদের কালো হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। পর্যায়ক্রমে এ বাহিনীর সদস্যেরা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটিতে ভারত যায় আমোদপ্রমোদের জন্য। এসব ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তাদের কোনও নথি প্রদর্শন করতে হয় না।
    মূল প্রতিবেদনের আরও স্পর্শকাতর বিষয় রয়েছে। সেগুলো নিরাপত্তার কারণে এড়িয়ে যাওয়া হলো।

    http://www.srilankaguardian.org/2012/04/bengal-tigers-in-r-cage.html