Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ইলিয়াসকে দ্রুত খুঁজে বের করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে দ্রুত খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শেষে এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি এ নির্দেশ দেন। একই বৈঠকে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ বিষয়ে স্পিকার সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রীরা ঢাকায় গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অনুমতি চান প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
বৈঠক শেষে একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সমকালকে বলেন, মন্ত্রিসভার নির্ধারিত বৈঠক শেষে কয়েক মন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী প্রায় ২০ মিনিট অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেন। এ সময় তিনি বিএনপির নিখোঁজ এ নেতার ব্যাপারে অগ্রগতি জানতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর কাছে। ইলিয়াস আলীর খোঁজে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান তারা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নিখোঁজ এ নেতাকে দ্রুত খুঁজে বের করতে তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ইলিয়াস আলীকে নিয়ে বিরোধী দলকে অহেতুক পানি ঘোলা করতে দেওয়া হবে না। সে যেখানেই থাকুক না কেন, দ্রুত খুঁজে বের করে জনসমক্ষে হাজির করতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, চারদলীয় জোটের শাসনামলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন নিখোঁজ হন। তারা তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। আমরা সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে জামাল উদ্দিনের কঙ্কাল উদ্ধার করি। তাই ইলিয়াস আলী যেখানেই থাকুক না কেন, তাকে খুঁজে বের করতে হবে। এ সময় মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য বিরোধী দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হতে পারেন বলে মন্তব্য করেন।
সূত্র জানায়, এ আলোচনার পরই স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্প্রতি দলীয় সংসদ সদস্য সোহেল তাজের পদত্যাগের বিষয়টি তোলেন। সংসদ সদস্যদের সশরীরে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দেওয়ার সাংবিধানিক বিধানের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো তাকে পদত্যাগ করতে বলিনি। তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। এ বিষয়টি সম্পূর্ণ স্পিকারের এখতিয়ার। তিনি বলেন, সোহলে তাজ জাতীয় চার নেতার এক নেতা তাজউদ্দীন আহমদের পুত্র।
এই চার নেতার পরিবারের প্রতি আমাদের কর্তব্য রয়েছে। তাই যতদূর সম্ভব তার বিষয়টি আমরা সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখব। তিনি বিএনপি সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের সাংসদদের একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ১৯৯৪ সালে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের পদত্যাগপত্র একজন জমা দেওয়ায় তৎকালীন স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী তা গ্রহণ করেননি।
এরপর বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আমরা প্রতিমন্ত্রীরা ঢাকার (রাজধানী) বাইরে গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করছি; ঢাকায় পারছি না। আমরা ঢাকাতেও জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে কী নিয়ম আছে, কী করা যায় সেটা দেখার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট