Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

এবার পুনের মাঠ ‘দাদাগিরি’র অপেক্ষায়

পুনে, ২৪ এপ্রিল: আবার দিল্লি বনাম পুনে। আবার সৌরভ বনাম শেবাগ। এবার খেলা পুনের ডেরায়। করবো, লড়বো, জিতবো রে… কেকেআরের স্লোগান ছিল। সৌরভের হাত ধরে এখন এই স্লোগান পুনের দখলে। সাত ম্যাচে ৪টি জয়, পয়েন্ট ৮। দিল্লি গত ম্যাচে যতোই হারুক, পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে। ছয় ম্যাচ খেলে আট।

এবার কী হবে? বদলা নিতে পারবে বীরুবাহিনী? সোমবার সন্ধ্যায় পুনের হোটেলে সৌরভের ঘরে টিম মিটিং, সকল ক্রিকেটাররা হাজির। দিন্দাও। তিনি আজকের ম্যাচ খেলতে পারবেন? পরিস্থিতি যা তাতে সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। নেতা সৌরভ চান না, দিন্দাকে খেলিয়ে অহেতুক ঝুঁকি নিতে। বরং পুনে অধিনায়কের ভাবনায় বাকি নয় ম্যাচে চারটি জয়, তাহলেই শেষ চারে। পাশাপাশি জয়ের রেশ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও রয়েছে।

গত ম্যাচ হেরেও দিল্লি দলনায়ক শেবাগ প্রশংসা করেছিলেন সৌরভের। বলেছিলেন, মাঠে নামলে দশবছর বয়স কমে যায় দাদার, কী উৎসাহ নিয়ে সবকিছু করে! বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ম্যাচের আগে লেখালেখি শুরু, ‘দাদা ম্যাজিক আবারও?’ আজ তার ‘ছোটবাবু’ শচিন ৩৯’য়ে বছরে পা দিচ্ছেন, তিনি শচিনের থেকে কয়েকমাসের বড়, আগামী ৮ জুলাই সৌরভের বয়স হবে ৪০। যতোই তিনি গত ম্যাচে দুই উইকেট তুলুন। কিংবা ব্যাট হাতে ত্রিশোর্ধ্ব রান করুন না কেন, রানিং বিটুইন দ্য উইকেটস বা দৌড়ে ক্যাচ ধরতে গেলেই ধরা পড়ছে, মনের জোরে খেলা যায়, কিন্তু শারীরবিজ্ঞানকে অস্বীকার করা যায় না।

দিল্লি দলকে হারানো পুনের কাছে জায়ান্ট কিলারের মতো। দিল্লি এবার হেভিওয়েট দল। শেবাগ কোনদিন কী করবেন, আগে থেকে অনুমান করা যায় না। এছাড়াও রয়েছেন পিটারসেন, রস টেলর, জয়বর্ধনের মতো তারকা। প্রতিদিন তারা ব্যর্থ হবেন, হতেই পারে না। সবচেয়ে চিন্তার কারণ, সৌরভের দলের বোলিং। নেহেরা, কার্তিকরা একেকদিন একেকরকম বোলিং করছেন। তারমধ্যে স্পিনার রাহুল শর্মা খুবই অনভিজ্ঞ। সৌরভ নিজেই জানিয়েছেন, রাহুলকে আরো অনেককিছু শিখতে হবে। বিপক্ষ ব্যাটসম্যানের কাছে মার খেয়েই বেদম হয়ে পড়ছেন। দিন্দার পাঁজরে চোট ভালোই। গত ম্যাচে তার পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় আলফানসো থমাসকে। কেপটাউনের নবাগত পেসার। তাকে কোথা থেকে উদ্ধার করলেন সৌরভ নিজেই জানেন। এই নিয়ে যদিও তিনি জানিয়েছেন, আমি অস্ট্রেলিয়ার টোয়েন্টি ২০ টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাস দেখেছি, কারা কী করেছে, সেই ব্যাপারে ধারণা ছিল। ওই টুর্নামেন্ট থেকেই যে থমাসকে নিয়ে এসেছেন, তাও বলেছেন। সৌরভ নিজে জুহুরি, সেই কারণেই জহর চিনতে ভুল করেননি। থমাসকে খেলিয়েই বাজিমাত করেছেন, ডানহাতি পেসার দিল্লি ম্যাচে তিন উইকেট নিয়েছেন মাত্র ২২ রানে।

থমাস বা নেহেরা, কিংবা কার্তিক বা ম্যাথজ নন, বীরুদের বিরুদ্ধে কোটলাতে পিটারসেনকে আউট করে ব্রেক থ্রু দেন সৌরভই। খাটো লেংথের বলে ঠকে বোল্ড হয়ে যান কেপি। সেই বোলিং নিয়ে সৌরভ রসিকতাও করেছেন, ‘আমি তো আর ডোনাল্ড বা দিন্দার মতো বোলার নই যে আমার ডেলিভারি মাথা সমান উঠবে!’ কিন্তু শ্রীলঙ্কার ম্যাথুজ সহজ ক্যাচ মিস না করলে সৌরভের নামের পাশে তিন উইকেট থাকতো, সেই কারণে মাঠে হতাশাপ্রকাশ করতেও দেখা গেছে।

কোটলাতে প্রতিপক্ষের ঘরে গিয়ে সৌরভ জিতে এসেছেন, এবার ঘরের মাঠে ম্যাচ। যা নিয়ে বলা হচ্ছে, পুনের মাঠে খেলা হলে মহারাজদের প্লাসপয়েন্ট দর্শক সমর্থন। যেভাবে চিৎকার করছে দর্শকরা, তাতে বিপক্ষের ফোকাস নড়ে যাচ্ছে যে!  সূত্র: ওয়েবসাইট।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট