Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ডেসটিনির অনিয়ম খতিয়ে দেখতে মাঠ পর্যায়ে নিরীক্ষার সুপারিশ

শেখ আবদুল্লাহ
ডেসটিনি গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। অবৈধ ব্যাংকিং, অর্থপাচার, মানি লন্ডারিং, অর্থ আত্মসাৎ এবং কোম্পানির অস্বাভাবিক উত্থানের অভিযোগগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করে কমিটি। কমিটির প্রধান এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতরের রেজিস্ট্রার আহমেদুর রহিম সম্প্রতি রিপোর্টটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড ও ডেসটিনি ট্রি পল্গান্টেশন লিমিটেডের উদ্দেশ্যাবলিতে এমএলএম সম্পর্কিত ব্যবসার উলেল্গখ রয়েছে এবং এমএলএম ব্যবসার মাধ্যমে গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগ আছে। অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হওয়া প্রয়োজন। ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড এবং বেস্ট এভিয়েশন লিমিটেডের অবৈধ শেয়ার বিক্রির বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের ৪৯ জন শেয়ারহোল্ডারের নামে ১০০ টাকা মূল্যের মোট ২১ লাখ ৯ লাখ ৩৩১টি শেয়ার রয়েছে এবং বেস্ট এভিয়েশনের প্রধান শেয়ারহোল্ডার ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির এক হাজার টাকা মূল্যের

মোট এক লাখ ৮০ হাজারটি শেয়ার এবং অপর একজন শেয়ারহোল্ডার ২০ হাজারটি শেয়ারের মালিক। প্রতিষ্ঠান দুটি অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় শেয়ার বিক্রি করেছে কি-না বিষয়টি মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হওয়া প্রয়োজন। যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতরে ডেসটিনি ট্রি পল্গান্টেশনের দাখিল করা অডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করে দেখা যায়, এ কোম্পানির নামে ৩ হাজার ৭২৪ একর লিজহোল্ড জমি রয়েছে। আরও দেখা যাচ্ছে, বেশকিছু কোম্পানিতে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি শেয়ারহোল্ডার হিসেবে রয়েছে।
ডেসটিনির বিরুদ্ধে ওঠা বিদেশে অর্থপাচার, মানি লন্ডারিং, অর্থ আত্মসাৎ ইত্যাদি অভিযোগ ‘অত্যন্ত বিশদ ও ব্যাপক’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত কার্যক্রম শেষ করা এবং কোম্পানির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পরীক্ষার জন্য গভীরভাবে তদন্ত করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের প্রস্তাবও করেছে তদন্ত কমিটি।
ওই রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, ডেসটিনি গ্রুপের ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত কোনো রিটার্ন প্রতিবেদনই দাখিল করেনি। ২০০৭ সালের পর রিটার্ন জমা দেয়নি একটি প্রতিষ্ঠান। তিনটি প্রতিষ্ঠান ২০০৯ সালের পর ও ১৩টি প্রতিষ্ঠান ২০১০ সালের পর রিটার্ন দাখিল করেনি। কেবল ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডসহ মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানের ২০১১ সাল পর্যন্ত (হালনাগাদ) প্রতিবেদন দাখিল করেছে কোম্পানি আইনের ধারক জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ ও ফার্মসমূহের পরিদফতরে। বাকি সাতটি প্রতিষ্ঠানের এখনও রিটার্ন দাখিলের সময় হয়নি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট