Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ছাত্রলীগের জরুরি সভায় ১০০ নেতা অনুপস্থিত

ঢাকা, ২০ এপ্রিল: ছাত্রলীগের জরুরি সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় একশো নেতা অনুপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা উপলক্ষে এই প্রস্তুতি সভায় এজেন্ডা’র বাইরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনা করেছেন সভায় উপস্থিত নেতারা। অনেক নেতাই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কেউ আবার সংগঠনের গতি বাড়াতে বিভিন্ন ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়ার দাবি জানান। সভা সূত্রে এ খবর জানা গেছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সংখ্যা ২১৯।

সভা সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় একশো তোরো জন নেতা অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমুদ্রজয়ের সংবর্ধনার প্রস্তুতি হিসেবে এই সভা ডাকা হয়। সভায় নেতারা সিদ্ধান্ত নেন আগামী ১৭ মে শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়া হবে।

সূত্র জানায়, সভা পরিচালনা করতে গিয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম অনেকের কাছেই দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘বিভিন্ন সময় সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অনেকের সাথে আমি খারাপ আচরণ করি।’’ এজন্য তিনি ‘সরি’ও বলেন।

সভাপতির ভাষণে এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ সংগঠনের নেতাদের সতর্ক করেন। গণমাধ্যমে মন্তব্য করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে এবং সংগঠনের আদর্শ ও নীতির বাইরে যায়, এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত।’’ সভাপতির এই বক্তব্য সংগঠনের নেতাদের বাকস্বাধীনতা হরণ করছে বলেও বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা।

সভা সূত্র জানায়, সহ-সভাপতি ইমাউল হক সরকার টিটু বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের মূল্যায়ন করা হয় না, এমন অভিযোগ করেন। পরবর্তী কর্মসূচিতে যেন, ধারবাহিকতা বজায় রেখে কেন্দ্রীয় নেতা, নগর নেতা, এবং জেলা ও ইউনিট নেতাদের পরিচয় দেয়া হয় সে দাবি জানান। তার বক্তৃতায় সংগঠনের নেতাদের সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার কথাও বলেন।

সূত্র জানায়, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিন কোতোয়াল ঢাকা কলেজের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দাবি জানান। ঢাকা কলেজের অনেক নেতাই এখন কেন্দ্রীয় কমিটিতে রয়েছেন। তারা একই সঙ্গে সংগঠনের দুটো পদে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় উপস্থিত ছাত্রলীগ নেতারা জানান, পৌনে এগারোটায় শুরু হওয়া প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই কথা বলার সুযোগ পাননি। সভার এজেন্ডা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে কোনো উপ-কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, দুয়েক দিনের মধ্যেই সংবর্ধনা সংক্রান্ত উপ-কমিটি গঠন করা হবে। একই সঙ্গে সংবর্ধনা উপলক্ষে প্রতিটি জেলায় সাংগঠনিক সফর করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। দুয়েক দিনের মধ্যেই নেতাদের সাংগঠনিক জেলা জানিয়ে দেয়া হবে।

তবে, এখনো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের স্থান নির্ধারণে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাননি নেতারা। শাপলা চত্বর, দোয়েল চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, বাণিজ্যমেলার মাঠসহ বেশ কয়েকটি নাম প্রস্তাব করেছেন নেতারা।

জরুরি সভায় প্রায় একশো জন অনুপস্থিত প্রসঙ্গে এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘এটা কোনো ব্যাপার নয়। আমাদের কমিটির প্রায় ২৫ জন বিভিন্ন চাকরিতে চলে গেছে। বাকিদের হয়তো পরীক্ষা ছিল।’’

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট