Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশে ডিজিটাল স্বাক্ষর কার্যক্রম চালু

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল: পর্যাপ্ত লোকবল আর অর্থ বরাদ্দ ছাড়াই অবশেষে বুধবার থেকে চালু হলো ডিজিটাল স্বাক্ষর কার্যক্রম। তবে গ্রাহক পর্যায়ে এই সেবা পৌঁছতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের কর্মকর্তারা।

দেশে ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রবর্তনের আনুষ্ঠানিকতার প্রথম অংশ বা রুট কী জেনারেশন’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা সম্পর্কে সংবাদ কর্মীদের অবহিত করতে বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ভবনে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন জানান, ডিজিটাল স্বাক্ষর চালু হলে কাগুজে দলিলের অপব্যবহার ও ভোগান্তি বন্ধ করা যাবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রবর্তন একটি অন্যতম মাইলফলক মন্তব্য করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘এর ফলে দেশে ই-কমার্স, ই-লেনদেন, ই-প্রকিউরমেন্ট সর্বোপরি ই-গভর্নেন্স কার্যক্রম উৎসাহিত হবে।’’

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘‘মানুষের স্বাক্ষর বা নাম দিয়ে যেমনিভাবে তাকে আলাদা করা যায় তেমনি ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবস্থার মাধ্যমেও প্রতিটি মানুষকে আলাদা করে চিহ্নিত করা যাবে। ফলে নিরাপদ হবে অনলাইনে আর্থিক লেনদেন, ঘরে বসেই সারা যাবে টেন্ডার বা আয়কর রিটার্নের মতো কাজ গুলো।’’
অপরদিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রবর্তন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ত্বরান্বিত করবে মর্মে উল্লেখ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ভবনে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রক (সিসিএ)-এর কার্যালয়ে রুট কী জেনারেশনের কারিগরি কার্যক্রমটি শুরু হয়। কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুরুতে সকাল সাড়ে নয়টায় একটি প্রি-ব্রিফিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল পৌনে এগারোটার দিকে শেষ হয় মূল কারিগরি কার্যক্রম। এরপর দুপুর বারোটা এক মিনিটে তৈরী করা হয় বাংলাদেশের  রুট সার্টিফিকেট।

সিসিএ কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আলম এন.ডি.সি-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল-এর নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ড. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ আজিজুর রহমান, পরামর্শক মুনির হাসান, বিসিসি’র সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ ও অন্যান্য অতিথি।

আনুষ্ঠানিকতার ৩য় পর্বে  বিসিসি ভবনে পোস্ট ব্রিফিং সেশনে জানানো হয়, রুট কী জেনারেশনের ফলে সিএ প্রতিষ্ঠানগুলো অচিরেই ব্যবহারকারীদের নিকট ডিজিটাল স্বাক্ষেরের সুবিধা পৌঁছে দিতে পারবে এবং সরকারের সেবাসমূহ যেমন ই-গভর্নেন্স, ইলেকট্রনিক লেনদেন ইত্যাদি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এর ফলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিরাপদে সরকারি-বেসরকারি সেবাসমূহ জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়াও ডিজিটাল স্বাক্ষর চালুকরণের ফলে বর্হিবিশ্বে তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট